• শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৬
সর্বশেষ :
৪ সেপ্টেম্বর কবি ও সাংবাদিক কাজী আনিসুল হকের জন্মদিন শ্যামনগরে হাঁটু পানিতে ডুবে আছে গ্রাম, ঘরবাড়ি থেকে বিদ্যালয় এমনকি কবরস্থানও পানির নিচে বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে পানি, কুলিয়া-গাজীরহাট সড়কে চরম দুর্ভোগ না.গঞ্জ সদরে সরকারি দপ্তরের কার্যক্রম সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় সভা আশাশুনিতে জেলা পরিষদের পুকুর দখলমুক্ত করেছে হাবিবুল ইসলাম হাবিব শ্যামনগরে মুরগির ঘর থেকে ১০ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার দেবহাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ও বৃষ্টিতে পাইকগাছায় বেড়েছে জনদুর্ভোগ পাটকেলঘাটায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জনসভা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি পারুলিয়ায় ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গোরস্থান ও মাদ্রাসার জায়গা দখলের চেষ্টা সামাদ গংয়ের

মনিরামপুরে বাপের বাড়ি বেড়াতে এসে সাংবাদিকের স্ত্রীর ওপর হা*ম*লা, ক্ষমা চেয়েও অব্যাহত প্রাণনা*শের হু*ম*কি

মনিরামপুর সংবাদদাতা / ১০৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ধলিগাতি গ্রামে বাপের বাড়ি বেড়াতে এসে হামলার শিকার হওয়া সাতক্ষীরার দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার নিজস্ব প্রতিনিধি আল মামুনের স্ত্রী সালমা খাতুনকে থানায় ক্ষমা চেয়েও পরবর্তীতে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে হামলাকারীরা। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের পর ধলিগাতি গ্রামে শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে আসেন দৈনিক পত্রদূতের নিজস্ব প্রতিনিধি আল মামুন, তার স্ত্রী সালমা খাতুন ও দুই সন্তান। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুন্দলপুর স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শামছুর রহমানের ছেলে *মো: সবুজ* সাংবাদিকের স্ত্রী সালমা খাতুনকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুশি ও লাঠিপেটা করে গুরুতর আহত করেন।

 

খবর পেয়ে মনিরামপুর থানা পুলিশের এস আই মনিরসহ একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে ওই দিন বিকাল ৪টার দিকে হামলাকারী মো: সবুজ ও তার পরিবারের সদস্যরা মনিরামপুর থানায় উপস্থিত হয়ে ঘটনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রাথমিক পর্যায়ে তাদের ক্ষমা করা হয়।

 

অভিযোগ উঠেছে, থানা থেকে বেরিয়ে আসার পর থেকেই হামলাকারী ও তার পরিবারের লোকজন ভুক্তভোগী পরিবারকে বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানিয়েছেন সাংবাদিক আল মামুন।

 

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, এই হামলা ও হুমকির পেছনে রয়েছে শামছুর রহমান পরিবারের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ। উল্লেখ্য, শামছুর মাস্টারের প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে *আশা খাতুন* তার প্রেমিকের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বর্তমানে নড়াইলে স্বামীর সংসারে সুখে আছেন। কিন্তু ওই বিবাহে শামছুর রহমানের মত না থাকায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি প্রেমিকের সকল আত্মীয়স্বজনকে বিভিন্নভাবে সম্মানহানি, ধর্ষণ ও খুন-জখমের হুমকি দিয়ে আসছেন।

 

 

সাংবাদিক আল মামুনের শ্বশুরবাড়ি ওই এলাকায় হওয়ায় এবং সামান্য বিষয়ে প্রতিবাদ করায় তাদের ওপর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটান শামছুর রহমানের ছেলে মো: সবুজ।

 

আহত সালমা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমি বাপের বাড়ি নিরাপদে বেড়াতে এসেছিলাম। এখন ঘর থেকে বের হওয়াও আমার জন্য বিপদ। তারা থানায় ক্ষমা চেয়ে বের হয়েই আবার মারার হুমকি দিচ্ছে। আমার দুই অবুঝ সন্তান নিয়ে আমি কোথায় যাব?” হুমকিদাতারা হল- মৃত বারেক বিশ্বাসের ছেলে আসাদ বিশ্বাস, ইসহাক বিশ্বাস ও শামছুর মাস্টারের মেঝো ছেলে সুবুজসহ আরো কয়েকজন।

 

সাংবাদিক আল মামুন প্রশাসনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, “আমি একজন পেশাদার সাংবাদিক। আমার স্ত্রী-সন্তানের নিরাপত্তা আজ হুমকির মুখে। হামলাকারীরা বারবার প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।”

 

এলাকাবাসী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, “একটি পারিবারিক বিরোধের জেরে নিরীহ মেয়েকে বাপের বাড়িতে এসে মারধর, আবার হুমকি – এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা না নিলে এলাকার শান্তি নষ্ট হবে।”


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com