• রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০১:০০
সর্বশেষ :
অতিবৃষ্টিতে ডুমুরিয়াসহ খুলনা জেলায় মাছ চাষ ও কৃষিতে প্রায় ১১ কোটি টাকার ক্ষতি শ্যামনগরে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে জাহাজঘাটা ঐতিহাসিক শাহী মসজিদের জমি রক্ষায় মানববন্ধন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হ*ত্যাকারী আটক দেবহাটায় প্রশাসনের আয়োজনে জুলাই শহীদ দিবস পালন, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় দ্রুত ডাক সার্ভিসের নামে পোস্ট অফিসের প্রতারণা, ১৪ দিনেও পৌঁছায়নি জরুরি নথি বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় উঠান থেকে উদ্যোক্তা বিষয়ক পথনাটক অনুষ্ঠিত চিংড়িতে জেলি পুশ: ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা, ৮২০ কেজি চিংড়ি বিনষ্ট খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গু*লি: সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের উদ্বেগ, নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জলবায়ু পরিবর্তন ও বজ্রপাত মোকাবেলায় দেবহাটায় তাল-খেজুরের বনায়ন শুরু

পাটকেলঘাটার লোকনাথ ক্লিনিকে প্রসূতির মৃ*ত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি / ৭১ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬

সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা এলাকায় লোকনাথ নার্সিং হোম এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে পারুল খাতুন (৩২) নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষোভের মুখে পড়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পালিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

রোববার (৭ জুন) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পারুল খাতুন আশাশুনি উপজেলার জামালনগর গ্রামের আবু হানিফের স্ত্রী।

 

পরিবারের সদস্যরা জানান, শনিবার সকালে প্রসব বেদনা উঠলে পারুলকে উক্ত ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। রোববার দুপুরে সিজারের মাধ্যমে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। তবে সন্ধ্যার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ তাকে অন্যত্র নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময়ই তার মৃত্যু হয়।

 

নিহতের ছোট ভাবি মিনা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, চিকিৎসকদের ভুলের কারণেই আমার ননদের মৃত্যু হয়েছে। তবে নবজাতক ছেলে সুস্থ রয়েছে বলে জানান তিনি।

 

পারুলের বাবা আজিত খাঁ জানান, মেয়ের এটি তৃতীয় সিজার হওয়ায় আগে থেকেই ঝুঁকির বিষয়ে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছিল। ক্লিনিক মালিক অভিজ্ঞ সার্জনের আশ্বাস দিলেও শেষ পর্যন্ত ভুল চিকিৎসা ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় বিচার দাবিতে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান।

 

নিহতের বড় মেয়ে সাদিয়া (১৪) জানায়, রোববার দুপুরে এক চিকিৎসক তার মায়ের সিজার করেন। সন্ধ্যার পর মায়ের মৃত্যু হলে কান্নায় ভেঙে পড়ে সে অভিযোগ করে, ডাক্তারই আমার মাকে মেরে ফেলেছে।

 

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, উক্ত নার্সিং হোমে প্রায়ই অপচিকিৎসার ঘটনা ঘটে এবং এর আগেও একাধিক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। মাঝে মাঝে প্রশাসনের অভিযানে ক্লিনিক বন্ধ হলেও পরে আবার চালু হয়ে যায় বলে দাবি তাদের।

 

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম জানান, তিনি বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

 

অন্যদিকে, ক্লিনিকের পরিচালক পুলক কুমার পাল দাবি করেন, হৃদরোগজনিত কারণে ওই রোগীর মৃত্যু হয়েছে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com