চট্টগ্রাম নগরের আলোচিত ও শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন ও তাঁর তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ বুধবার ভোরের দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম যশোর নড়াইল মহাসড়কের ঝুমঝুমপুর এলাকা থেকে একটি প্রাইভেটকার তল্লাশি করে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর বেলা সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম পুলিশের কাছে তাঁকে হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ডেভিড ইমন ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন—এমন গোপন তথ্য ছিল যশোর পুলিশের কাছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম যশোর নড়াইল মহাসড়কের ঝুমঝুমপুর এলাকায় অবস্থান নেয়। ভোরের দিকে কালো রঙের একটি প্রাইভেটকার দেখে সন্দেহ হলে তল্লাশি চালালে গাড়ির ভেতরে ইমনকে শনাক্ত করে পুলিশ। গোঁফ কেটে ফেলায় প্রথমে ইমনকে চিনতে পুলিশের বেগ পেতে হয়।
ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে স্বীকার করেন তিনি চট্টগ্রাম নগরের আলোচিত ও শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন। এ সময় গাড়ির ভেতরে থাকা আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
যশোরের পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ রফিকুল ইসলাম জানান, ডেভিড ইমন ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন—এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রাত ৩টার দিকে একটি সন্দেহজনক প্রাইভেটকার তল্লাশি করে ইমনসহ তাঁর তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ সকাল ১০টায় তাঁকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশের অপরাধ রেকর্ড অনুযায়ী, ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে জোড়া খুন এবং চট্টগ্রাম ও দেশের বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে কোটি টাকা চাঁদা দাবির মামলাসহ অন্তত ৭টি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের মামলা রয়েছে। চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক সময়ে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজির চক্র সচল রাখার পেছনে তাঁর মূল ভূমিকা ছিল বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
https://www.kaabait.com