সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামে দ্বিতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রকে হাত-পা বেঁধে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার মাধ্যমে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টারও অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
ঘটনাটি বুধবার সকাল ৯টার দিকে কাটাখালী গ্রামের একটি বাঁশবাগানের মধ্যে নির্মাণাধীন ঘরে ঘটেছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাটাখালী গ্রামের সোরাপ মোড়লের ৮ বছর বয়সী ছেলে আফফান ওরফে আকাশ প্রতিদিনের মতো স্কুলে যাচ্ছিল। পথে একই গ্রামের কাশেম মোড়লের ছেলে আব্দুল মুছানুর তাকে জোর করে বাঁশবাগানের মধ্যে একটি নির্মাণাধীন ঘরে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। সেখানে শিশুটির হাত-পা বেঁধে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত যুবক ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরে খবর পেয়ে শিশুটির মা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় ইউপি সদস্য আনিসুর রহমান অভিযুক্ত যুবককে মারধর করেন এবং পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে অর্থের বিনিময়ে আপস-মীমাংসার চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য আনিসুর রহমান বলেন, “বিষয়টি জানতে পেরে আমি ওই যুবককে মারধর করেছি। পরে সে ক্ষমা চেয়েছে।”
শিশুটির মা বলেন, “আমার ছেলেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করেছি। সময়মতো জানতে না পারলে আরও বড় কোনো ঘটনা ঘটতে পারত।”
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপারের সরেজমিন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।
তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
https://www.kaabait.com