• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৫
সর্বশেষ :
শ্যামনগরে নক্ষত্রের অভিবাদন ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনা ফিংড়ীর বেনীয়াখালীতে পৈতৃক জমি জবর দখলসহ গাছ কর্তনের অভিযোগ বিএফআরআই এর ডিজির লোনাপানি কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন দেবহাটায় ১৬৯ বোতল উইনকেরেক্সসহ আটক ১ এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে চিরকুট লিখে শিক্ষার্থীর আ/ত্ম/হ/ত্যা শ্যামনগরে ফেন্সিডিল ও ভারতীয় ওষুধ জব্দ করল কোস্ট গার্ড দেবহাটায় পরোয়ানাভুক্ত ৪ ও নিয়মিত মামলায় ১ আসামি গ্রেপ্তার দেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শন দেবহাটা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ব্যক্তিগত আক্রোশবশত ইউএনওকে জড়িয়ে মিথ্যাচারের ঘটনায় শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নিন্দা

শ্যামনগরের গোডাউন মোড় থেকে মঠবাড়ি রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য, আড়াই কোটি টাকা বিলীন

এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৪৫২ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য

🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন
শ্যামনগর গোডাউন মোড় থেকে মঠবাড়ী ২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে নির্মিত রাস্তাটি ৩ মাসেই চলাচলের অযোগ্য।শ্যামনগর গোডাউন মোড় থেকে মঠবাড়ি পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার রাস্তাটি কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের ৩ ফেব্রয়ারি, আড়াই কোটি টাকা বরাদ্ধ হয়, নিমার্নে বরাদ্ধ পান বাঘের হাটের শোহেল নামের এক ঠিকাদার।
বরাদ্ধর শুরুতে নিন্ম মানের ইট, খোয়া,সিমেন্ট ও নোনা বালুর মিশ্রণে কাজ চলাকালীন, পত্রিকায় অনিয়মের সংবাদ প্রকাশিত হয়।  নির্মান কাজ তত্বাবধায়নের দায়িত্বে থাকে তৎকালীন উপ সহকারী প্রকৌশলী কে, এম শহিদুল ইসলাম।
সংবাদ প্রকাশের পর তৎকালীন উপ সহকারী প্রকোশলী শহিদুল সাংবাদিকদের হুমকি দিয়ে বলেন, কাজটি খুলনা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা শেখ পরিবারের সদস্য শেখ হেলালের ভাই শেখ শোহেলের। এমন হুমকিতে পরবর্তীতে সংবাদ পরিবেশন বন্ধ হয়ে যায়। যেনতেন কাজ করে বেশীরভাগ টাকা আত্বস্বাতের অভিযোগ ও উঠে।
কাজটি সমাপ্ত হয় ২০ জুন ২০২২ সালে। সমাপ্তর ৩ মাস যেতে না যেতে রাস্তার বিভিন্ন স্থানে শুরু হয় ভাঙ্গন। বর্তমানে ২ বছর যেতে না যেতেই রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে ইট খোয়া উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অযোগ্য হয়েছে মানুষ ও যান চলাচলে। এলাকাবাসি বলছে, এর জন্য দায়ী প্রকৌশলীর দায়িত্ব থাকা উপ সহকারী প্রকৌশলী কে, এম, শহিদুল ইসলাম।
সোয়ালিয়ার এক দোকানী সিরাজ বলেন, নির্মানে অনিয়ম দেখে আমি প্রকৌশলীকে বলে ছিলাম নিয়মানুযায়ী কাজ করার জন্য। তিনি আমাকেও শেখ হেলালের কথা বলে হুমকি দেন।
সোয়ালিয়ার ইউপি সদস্য মাসুদ বলেন, রাস্তার অনিয়ম দেখে আমি কাজ করতে বাধা দিলে আমাকে সে হুমকি দেন যে মামলা দিয়ে হয়রানী করার। তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যানকে এলাকাবাসী জানালে তিনিও এ বিষয়ে কথা না বলার হুমকি দেন। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, কে নেবে সরকারের এই আড়াই কোটি টাকার দায়িত্ব।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com