• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০২
সর্বশেষ :
৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরা, সংবাদ সম্মেলনে ৪ দফা দাবি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে পুলিশ: সন্তানদের গতিবিধি নজরে রাখার আহ্বান শ্যামনগরে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক নির্ধারণে কর্মশালা নারায়ণগঞ্জে বিশ্ব ফুসফুস দিবস পালিত না.গঞ্জ সদরে কলেরা ভ্যাকসিনের ২য় ডোজ উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা আজকাল রাজনীতির কিছু চিত্র দেখে সত্যিই অবাক হতে হয় : ইঞ্জিনিয়ার মনিরুল ইসলাম পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে দেবহাটায় যুবদলের বিক্ষোভ ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাই সময়মতো উন্মুক্ত হবে কি পাইকগাছার কুড়ুলিয়া-লস্কর সেতু? সেপ্টেম্বরেই শেষ মূল চুক্তির মেয়াদ তালায় ২৯ জন উপকারভোগীর মাঝে ছাগল, ভেড়া ও ঘর বিতরণ

শ্যামনগরে কপ৩০ পূর্ববর্তী আঞ্চলিক সংলাপ অন্তর্ভুক্তিমূলক জলবায়ু পদক্ষেপে নতুন প্রত্যাশা

এস এম মিজানুর রহমান, শ্যামনগর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৬৭৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাবের শিকার। ঘূর্ণিঝড়, লবণাক্ততা, নদীভাঙন ও জীবিকা সংকট প্রতিনিয়ত নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এ পরিস্থিতি তুলে ধরতে শ্যামনগরে ক্লাইমেট অ্যান্ড অ্যাডাপ্টেশন নলেজ ম্যানেজমেন্ট সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সোমবার ১৫/৯/২০২৫ সকাল ১০টায় কমিউনিটি ভয়েজেস ফর ক্লাইমেট অ্যাকশন-এর আঞ্চলিক সংলাপটির আয়োজন করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লিডার্স।সংলাপে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক, ধর্মীয় নেতা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি, নারী ও যুব সংগঠনের নেতা, আদিবাসী প্রতিনিধি, কৃষক, বনজীবী, ব্যবসায়ী, বাঘবিধবা ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

 

বক্তারা বলেন, আসন্ন জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (কপ৩০), যা এ বছর ব্রাজিলের আমাজন অঞ্চলের বেলেম শহরে অনুষ্ঠিত হবে, সেটি হবে বৈশ্বিক জলবায়ু কূটনীতির জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তনের সুযোগ।

 

সংলাপে আলোচকরা উল্লেখ করেন, গ্লোবাল স্টকটেক (GST) বাস্তবায়ন, ক্ষতি ও ক্ষতিপূরণ তহবিল (Loss & Damage Fund) দ্রুত কার্যকর করা, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ন্যায্য রূপান্তর, বন সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ-এসব বিষয়কে কপ৩০ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আনতে হবে।

 

একজন স্থানীয় নারী প্রতিনিধি বলেন, “আমরা প্রতিদিন পানি সংগ্রহ ও জীবিকা রক্ষার সংগ্রামে লড়ছি। আমাদের অভিজ্ঞতা যদি বৈশ্বিক আলোচনায় না পৌঁছায়, তবে বাস্তব সমাধান আসবে না।” অপর এক কৃষক যোগ করেন, “লবণাক্ত মাটি আমাদের ফসল নষ্ট করছে। অভিযোজন কৃষির জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা এখন সময়ের দাবি।”

 

অংশগ্রহণকারীরা জোর দিয়ে বলেন, জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কপ৩০-এ স্পষ্ট ও শক্তিশালী দাবি উত্থাপন করতে হবে।

 

সংলাপ শেষে আয়োজকরা জানান, স্থানীয় অভিজ্ঞতা ও জনগণের প্রস্তাবনা লিখিত আকারে জাতীয় পর্যায়ে পাঠানো হবে, যা বাংলাদেশের অবস্থানকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও শক্তিশালী করবে। তাদের মতে, কপ৩০ শুধুই প্রতিশ্রুতির জায়গা নয়, বরং বাস্তবায়নের নতুন পথচলা শুরু করার একটি অনন্য সুযোগ।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com