রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে তিনি দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে এই জ্যেষ্ঠ নেতার চিকিৎসার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান আজ শুক্রবার গণমাধ্যমকে এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তার নেতার আরোগ্য কামনা করার পাশাপাশি মির্জা আব্বাসের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলে তাদের সান্ত্বনা ও সাহস প্রদান করেছেন।
মির্জা আব্বাসের অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত সিঙ্গাপুরে পাঠানোর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। শায়রুল কবির খান জানান, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইতিমধ্যেই পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছেন যাতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে বিদেশে নেওয়া সম্ভব হয়। সরকারের এই উচ্চপর্যায়ের তৎপরতা মির্জা আব্বাসের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বড় ধরনের গতি সঞ্চার করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মির্জা আব্বাসের পরবর্তী চিকিৎসা পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, উন্নত চিকিৎসার লক্ষে মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের নিউরো সায়েন্স বিভাগে ভর্তি করা হবে।
তার শারীরিক জটিলতাগুলোর যথাযথ বিশ্লেষণের জন্য সেখানকার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই যোগাযোগ করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরে নেওয়ার যাবতীয় প্রস্তুতি বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
বর্তমানে এভারকেয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাসকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সরাসরি তদারকি এবং দ্রুত বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝেও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
মির্জা আব্বাসের মতো একজন প্রবীণ ও প্রভাবশালী রাজনীতিকের অসুস্থতায় রাজনৈতিক অঙ্গনে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনায় বিভিন্ন স্তরের মানুষ শুভকামনা জানিয়েছেন।
https://www.kaabait.com