• রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১:৩০
সর্বশেষ :
বদলির আদেশের পরও সরকারি খামারের মাছ বিক্রির অভিযোগ সরকারি স্লিপ ছাড়াই তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শন: ডা. চাকরিচ্যুত শেখ হাসিনার বাসভবন থেকে মরদেহ উদ্ধার গাজী নজরুল এমপির অপসারণের দাবিতে শ্যামনগরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অব্যাহত দেবহাটায় যুগ্ম সচিব আবুল হাসানের পিতার জানাজা সম্পন্ন, কাছে দোয়া কামনা ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের মানবিক উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আশ্বাস মঈন উদ্দিন ময়নার সুন্দরবন বনজীবীদের জীবনযুদ্ধ; কষ্ট, পরিশ্রম আর অভাবই নিত্যসঙ্গী শ্রাবণের ভারী বর্ষণে পাইকগাছার নিন্মাঞ্চল প্লাবিত; বেড়েছে জনদূর্ভোগ গাজী নজরুলের সংসদ সদস্যপদ বাতিলের দাবিতে উত্তাল শ্যামনগর

বদলির আদেশের পরও সরকারি খামারের মাছ বিক্রির অভিযোগ সরকারি স্লিপ ছাড়াই

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

সাতক্ষীরার এল্লারচর সরকারি মৎস্য খামারে বদলির আদেশ জারির পরও সরকারি স্লিপ ছাড়াই লাখ লাখ টাকার মাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে খামার থেকে মাছ ধরে বিক্রি করা হচ্ছে, ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

রোববার (২৬ জুলাই) ভোর থেকে খামারে মাছ ধরা ও বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি খাস জমিতে অবস্থিত এ মৎস্য খামারটি নির্ধারিত সরকারি নীতিমালা ও ইজারা প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে। এ ঘটনায় খামারের দায়িত্বে থাকা ডা. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি খামারের কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও বিধি-বিধান অনুসরণ করে পরিচালিত হওয়ার কথা। কিন্তু চলতি সময়ে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই মাছ বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে সরকারি রাজস্ব আদায়ে ক্ষতি হচ্ছে বলেও দাবি স্থানীয়দের।

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করে মাছ বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না হয়ে অন্যভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া মাছ বিক্রির সময় ক্রেতাদের সরকারি স্লিপ বা প্রয়োজনীয় রসিদও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় মৎস্যচাষী বলেন, সরকারি খামার পরিচালনায় নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। কিন্তু কোনো দৃশ্যমান অনুমোদন ছাড়াই কীভাবে এত বড় পরিসরে মাছ বিক্রি হচ্ছে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। এতে সরকার যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে, তেমনি সাধারণ মৎস্যচাষীরাও বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

 

অভিযোগের বিষয়ে খামারের দায়িত্বে থাকা ডা. শফিকুল ইসলাম বলেন, খামারের কাজই হলো মাছ কেনাবেচা করা। বিভিন্ন বকেয়া পরিশোধের প্রয়োজন হয়। আমাদের ৪ থেকে ৬ ইঞ্চি আকারের পোনা মাছ বিক্রির নিয়ম রয়েছে।

 

এ বিষয়ে রসিদও আছে, তবে তা বর্তমানে আমার কাছে নেই।তবে বদলির আদেশের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জি. এম. সেলিম বলেন, সংবাদ পেয়ে আমরা সকালে ঘটনাস্থলে এসেছি। একই সঙ্গে আজ সকালেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বদলির আদেশের কাগজ হাতে পেয়েছি। মাছ বিক্রি সরকারি নির্ধারিত রেট অনুযায়ী করতে হবে এবং প্রতিটি বিক্রির ক্ষেত্রে সরকারি স্লিপ দিতে হবে। বিক্রির সব তথ্য সরকারি রেজিস্টারে সংরক্ষণ করতে হবে। এর বাইরে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com