• বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৪
সর্বশেষ :
খুলনায় ইউনিয়ন পরিষদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সক্ষমতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ১ জন আটক শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচনের তফসিল ভোট গ্রহন ৫ সেপ্টেম্বর শ্যামনগরে বৃদ্ধা মাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগের প্রতিবাদে ছেলের সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীরায় যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত সখিপুরের কাজিমহল্লা মাদ্রাসায় খাদ্য সংকট মোকাবিলায় ১১ বস্তা চাল দিলেন আল ফেরদৌস আলফা দেবহাটার কৃতি সন্তান ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টারের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত শ্যামনগর নুরনগর দাসকাটিতে গ্রাম্য পাইলস ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃ*ত্যু পাঠকের আস্থা হারালে সাংবাদিকতা দুর্বল হয়ে পড়ে: কে এম রেজাউল করিম শ্যামনগরে জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদ: সংঘ*র্ষে আহত ৫

আরব আমিরাতে রমজানের আগেই ৯০০ বন্দিকে মুক্ত করলেন ব্যবসায়ী

প্রতিনিধি: / ৩৮৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

বিদেশ : সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)-ভিত্তিক ভারতীয় ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী ফিরোজ মার্চেন্ট পবিত্র রমজান মাসের আগে উপসাগরীয় দেশটির ৯০০ বন্দির মুক্তি নিশ্চিত করতে ১০ লাখ দিরহাম দান করেছেন। এটি বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় দুই কোটি ৯৮ লাখ ৪২ হাজার ১৭১ টাকা। এ ছাড়াও দেশে ফেরার জন্য তাদের জরিমানা ও বিমান ভাড়াও পরিশোধ করেছেন এই ব্যবসায়ী। খবর মিডেল ইস্ট মনিটরের। ফিরোজ মার্চেন্ট পিওর গোল্ড জুয়েলার্সের প্রতিষ্ঠাতা ও মালিক। বন্দিদের জামিনের চার্জ হিসেবে এই অর্থ প্রদান করেন ৬৬ বছর বয়সী ব্যবসায়ী। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত দ্য ফরগটেন সোসাইটি ইনিশিয়েটিভের অংশ হিসেবে এ বছরের শুরু থেকে ৯০০ বন্দিকে মুক্ত করা হয়েছে। মার্চেন্টের অফিসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বিশিষ্ট দুবাই-ভিত্তিক ভারতীয় ব্যবসায়ী এবং পিওর গোল্ডের প্রতিষ্ঠাতা ফিরোজ মার্চেন্ট সারা আরব আমিরাতের কারাগার থেকে ৯০০ জন বন্দির মুক্তি নিশ্চিত করতে ১০ লাখ দিরহাম দান করেছেন।’ ধনাঢ্য এই ব্যবসায়ী এ বছর তিন হাজারের বেশি বন্দিকে মুক্ত করতে চান বলে জানা গেছে। এ পর্যন্ত তার উদ্যোগটি বিগত বছরগুলোতে ২০ বন্দিকে সাহায্য করেছে। ফিরোজ মার্চেন্টের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ‘সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি খুবই সৌভাগ্যবান। ফরগটেন সোসাইটি ইনিশিয়েটিভটির ভিত্তি মানবতা। আমরা তাদেরকে নিজ দেশ ও সমাজে তাদের পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলনের সুযোগ প্রদানে একসঙ্গে কাজ করি।’ আমিরাতের শাস্তিমূলক ও সংশোধনমূলক সংস্থার উপপরিচালক (প্রশাসন) কর্নেল মোহাম্মদ ইউসুফ আল-মাতরুশি বলেন, ‘তার (ফিরোজ মার্চেন্ট) কাছে হাজার হাজার মানুষ কৃতজ্ঞ ও ঋণী। যে বিষয়টি তার উদ্যোগটিকে এত চিত্তাকর্ষক করে তোলে, তা হলো শান্ত ও বিচক্ষণ পদ্ধতি। এর মাধ্যমে যারা জরিমানা দিতে পারে না বলে দিনের পর দিন কারাগারে পড়ে থাকেন, তাদেরকে ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা প্রদান এবং সত্যিকার অর্থে আশাবাদী করে তোলেন তিনি।’


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com