• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২২
সর্বশেষ :
শ্যামনগরে নক্ষত্রের অভিবাদন ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনা ফিংড়ীর বেনীয়াখালীতে পৈতৃক জমি জবর দখলসহ গাছ কর্তনের অভিযোগ বিএফআরআই এর ডিজির লোনাপানি কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন দেবহাটায় ১৬৯ বোতল উইনকেরেক্সসহ আটক ১ এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে চিরকুট লিখে শিক্ষার্থীর আ/ত্ম/হ/ত্যা শ্যামনগরে ফেন্সিডিল ও ভারতীয় ওষুধ জব্দ করল কোস্ট গার্ড দেবহাটায় পরোয়ানাভুক্ত ৪ ও নিয়মিত মামলায় ১ আসামি গ্রেপ্তার দেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শন দেবহাটা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ব্যক্তিগত আক্রোশবশত ইউএনওকে জড়িয়ে মিথ্যাচারের ঘটনায় শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নিন্দা

গভীর রাতে কম্বল নিয়ে শীতার্তদের পাশে ডুমুরিয়ার ইউএনও

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা প্রতিনিধি / ৪২৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৫

🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কনকনে শীতে কাঁপছে সারা দেশ। এতে চরম বিপাকে পড়ছে দক্ষিণ জনপদ  খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার গরিব-দুঃখী শীতার্ত মানুষ। এ সময় শীতার্ত ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাড়াতে গভীর রাতে শীতবস্ত্র (কম্বল) নিয়ে অসহায় মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আল আমিন।

এ বছর চাহিদার তুলনায় শীতবস্ত্রের বরাদ্দ কম কিন্তু দরিদ্র মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় প্রকৃত দুস্থদের কাছে কম্বল বিতরণ করতে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তিনি।

শুক্রবার, শনিবার গভীর রাতে হঠাৎ করেই ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ট্রলার নিয়ে নদী পথে ও বাসস্ট্যান্ড চত্বরে অসহায় শীতার্ত ছিন্নমূল মানুষের মাঝে তার নিজ হাতে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করতে দেখা গেছে তাকে।

স্থানীয় জন সাধারণ ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সপ্তাহ ধরে এভাবে তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুড়ে ঘুড়ে নিজ হাতে বিভিন্ন এতিম খানা, লিল্লাহ বডিং, হাফিজিয়া মাদ্রাসাসহ ছিন্নমূল অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আল আমিন কনকনে শীতের রাতে হঠাৎ যখন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাতে শীতবস্ত্র দেখে ছিন্নমূল দুস্থ, অসহায় ও প্রতিবন্ধীরা আবেগে আপল্লুত হয়ে পড়েন।

 

এ শীতবস্ত্র উপজেলার গ্রামে গ্রামে ঘুরে ছিন্নমূল গরীব ও অসহায় শীর্তাত মানুষের মাঝে বিতরণ অব্যাহত থাকবে বলে জানান, ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আল আমিন ও ইন্জিনিয়ার রাশেল।

শীতবস্ত্র (কম্বল) পাওয়া একাধিক শীতার্ত ব্যক্তি বলেন, এ সপ্তাহে শীত অনেক বেড়েছে। সুর্যের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। এই শীতের রাতে ইউএনওর দেওয়া শীতবস্ত্র (কম্বল) তাদের অনেকটাই রক্ষা করছে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com