• সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৬
সর্বশেষ :
বদলির আদেশের পরও সরকারি খামারের মাছ বিক্রির অভিযোগ সরকারি স্লিপ ছাড়াই তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শন: ডা. চাকরিচ্যুত শেখ হাসিনার বাসভবন থেকে মরদেহ উদ্ধার গাজী নজরুল এমপির অপসারণের দাবিতে শ্যামনগরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অব্যাহত দেবহাটায় যুগ্ম সচিব আবুল হাসানের পিতার জানাজা সম্পন্ন, কাছে দোয়া কামনা ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের মানবিক উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আশ্বাস মঈন উদ্দিন ময়নার সুন্দরবন বনজীবীদের জীবনযুদ্ধ; কষ্ট, পরিশ্রম আর অভাবই নিত্যসঙ্গী শ্রাবণের ভারী বর্ষণে পাইকগাছার নিন্মাঞ্চল প্লাবিত; বেড়েছে জনদূর্ভোগ গাজী নজরুলের সংসদ সদস্যপদ বাতিলের দাবিতে উত্তাল শ্যামনগর

৯ জনের মৃত্যু কচ্ছপের মাংস খেয়ে

প্রতিনিধি: / ৫৯০ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০২৪

পূর্ব আফ্রিকার স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপাঞ্চল জাঞ্জিবার দ্বীপপুঞ্জে সামুদ্রিক কচ্ছপের মাংস খেয়ে আট শিশুসহ নয় জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া আরো ৭৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জাঞ্জিবার দ্বীপপুঞ্জের পেমবা দ্বীপে হৃদয়বিদারক এই ঘটনাটি ঘটে। গত ৫ মার্চ দ্বীপে একটি ভোজ আয়োজনে লোকজন কচ্ছপের মাংস খেয়েছিল। ঐ অঞ্চলে সামুদ্রিক কচ্ছপের মাংসকে একটি সুস্বাদু খাবার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যদিও সবাই জানে, কচ্ছপের মাংস খেলে খাদ্যে বিষক্রিয়া হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
মকোয়ানি জেলার মেডিক্যাল অফিসার ডা. হাজি বাকারি বলেন, গবেষণাগারে পরীক্ষা করে দেখা গেছে যারা মারা গেছেন, তাদের সবাই সামুদ্রিক কচ্ছপের মাংস খেয়েছেন। খুব বিরল হলেও কচ্ছপের মাংস বিষাক্ত হতে পারে, যেটিকে চেলোনিটক্সিজম বলে। এ থেকে খাদ্যে বিষক্রিয়া হয়।
কচ্ছপের শরীরে কোথা থেকে চেলোনিটক্সিজম আসে, তা এখনো জানা যায়নি। তবে কচ্ছপ বিষাক্ত শ্যাওলা খেয়ে থাকে। ঐ শ্যাওলা থেকে কচ্ছপের শরীরে বিষ জমতে পারে।
ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন থেকে বলা হয়, ‘চেলোনিটক্সিজম খুবই বিরল। তবে সামুদ্রিক কচ্ছপ খেলে কখনো কখনো তা থেকে প্রাণঘাতী খাদ্যবিষক্রিয়া হতে পারে। ‘আক্রান্তদের শরীরে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনালের মতো উপসর্গ দেখা দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, সামুদ্রিক কচ্ছপের শরীরের সব অংশই বিষাক্ত হতে পারে। এই বিষক্রিয়ায় মানুষ মাঝারি থেকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে।’
৫ মার্চের ঐ ঘটনার পর জাঞ্জিবার দ্বীপপুঞ্জ কর্তৃপক্ষ পেমবা দ্বীপে একটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দল পাঠিয়েছে, যাতে তারা স্থানীয়দের সামুদ্রিক কচ্ছপ খেতে বারণ করতে পারে। এর আগে ২০২১ সালে পেমবা দ্বীপে সামুদ্রিক কচ্ছপের মাংস খেয়ে তিন বছরের এক শিশুসহ সাত জন মারা যায়।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com