• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৯
সর্বশেষ :
সখিপুরে মঈন উদ্দিন ময়নার উন্নয়ন ভাবনা ডেঙ্গু প্রতিরোধে তালার খলিলনগরে সচেতনতামূলক সভা শ্যামনগরে কেওড়া ফল পাড়তে উঠে গাছ থেকে পড়ে ঘের কর্মচারীর মৃত্যু দরবাস্তিয়ায় গ্রামবাসীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ ৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরা, সংবাদ সম্মেলনে ৪ দফা দাবি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে পুলিশ: সন্তানদের গতিবিধি নজরে রাখার আহ্বান শ্যামনগরে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক নির্ধারণে কর্মশালা নারায়ণগঞ্জে বিশ্ব ফুসফুস দিবস পালিত না.গঞ্জ সদরে কলেরা ভ্যাকসিনের ২য় ডোজ উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা আজকাল রাজনীতির কিছু চিত্র দেখে সত্যিই অবাক হতে হয় : ইঞ্জিনিয়ার মনিরুল ইসলাম

বিএনপি নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিবের জামিন

নিজস্ব প্রতিনিধি / ৫০৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৪
হাবিবুল ইসলাম হাবিব - ছবি সংগ্রহ

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার মামলায় জামিন পেয়েছেন সাবেক এমপি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৪৬ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) হাইকোর্টের ১১নং বেঞ্চ তাদের জামিন মঞ্জুর করেছেন।

 

সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের স্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্টের অ্যাড. শাহানারা আক্তার বকুল জানান, ২০০২ সালে কলারোয়ায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় আদালত সাবেক এমপি হাবিবসহ বিএনপির ৫০ জন নেতাকর্মীকে অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করে। এর মধ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে সর্বোচ্চ ৭০ বছরের সাজা প্রদান করা হয়। নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে কারাবন্দী বিএনপি নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে উচ্চ আদালতে আপিল করা হয়। আদালত সাবেক এমপি হাবিবসহ কারাবন্দী ৪৬ জনের জামিন মঞ্জুর করেছেন। তিনি আরও জানান, এর ফলে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবসহ অন্যান্য আসামিদের কারাগার হতে মুক্তি পেতে আর কোনো বাধা রইলো না।

 

জানা যায়, ধর্ষণের শিকার এক নারীকে দেখতে ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে যান। সেখান থেকে যশোরে ফেরার পথে কলারোয়া উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে তার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে গুলি এবং বোমা বিস্ফোরণ করা হয়। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান শেখ হাসিনা। বহরে থাকা ১৫–২০টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। হামলায় শেখ হাসিনার গাড়িবহরে থাকা ১২ নেতা-কর্মী আহত হন। সাতক্ষীরা-১ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম ও তাঁর নেতা-কর্মীরা হামলায় জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে।

 

এ ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোসলেম উদ্দীন বাদী হয়ে থানায় মামলা করতে গেলে মামলাটি রেকর্ড করেনি পুলিশ। ঘটনার ১২ বছর পর ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর সাতক্ষীরা আদালতে একটি মামলা করা হয়। আদালত কলারোয়া থানায় মামলাটি রেকর্ড করার আদেশ দেন।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com