• রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০১:২৬
সর্বশেষ :
দেবহাটার সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদ সদস্য নজরুল ইসলামের ইন্তেকাল স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও সংস্কার হয়নি ধুলিহরের সাড়ে ছয়শ ফুট রাস্তা দেবহাটায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬ পরোয়ানাভুক্ত আসামী আটক গোবরদাড়ীতে ধা*রা*লো অ*স্ত্রের আ*ঘা*তে যুবক হ*ত্যা, পুকুর থেকে ম*রদেহ উ*দ্ধার কয়রায় বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘট : নবায়নযোগ্য জ্বালানিনির্ভর বিদ্যুতের দাবিতে তরুণদের মানববন্ধন দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ভারতীয় রেনু পোনা জব্দ, পরে খালে অবমুক্ত আমে সয়লাব সাতক্ষীরার আম বাজার: পাইকারি ও খুচরা বাজারে বিস্তর ফারাক দু*র্বি*ষহ জীবন দেবহাটার পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনের তালা শিক্ষক সমিতি নির্বাচন ১৬ মে, তিন পদে দ্বিমুখী লড়াই দেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহছানউল্লাহ্ ডালিমের ইন্তেকাল। শোকাহত রাজনৈতিক মহল

দেবহাটার সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদ সদস্য নজরুল ইসলামের ইন্তেকাল

কেএম রেজাউল করিম, দেবহাটা সাতক্ষীরা / ২৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
Oplus_131072

সাতক্ষীরার দেবহাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সদ্য সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য নজরুল ইসলাম আর নেই। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রবিবার ভোররাতে ঢাকা হাইকোর্টে যাওয়ার পথে স্ট্রোকজনিত কারণে তিনি ইন্তেকাল করেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৭০ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক মামলার জটিলতায় তিনি কিছুদিন ধরে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। গত ৪ মে তাঁর মায়ের মৃত্যু হলে তিনি বাড়িতে আসেন। পরে শনিবার (৯ মে) জামিনের উদ্দেশ্যে পুনরায় ঢাকায় যান। রবিবার ভোরে শ্যামলী থেকে হাইকোর্টের পথে অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

নিহতের ছোট ছেলে আবুল হাসান জানান, কোরবানির ঈদের আগেই বাড়ি ফেরার ব্যাপারে তাঁর পিতা খুবই আগ্রহী ছিলেন। দ্রুত জামিন নিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতেই তিনি ঢাকায় গিয়েছিলেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আর ফেরা হলো না তাঁর।

 

পরিবারের সদস্যরা জানান, মায়ের মৃত্যু তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেননি। দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। স্বজনদের ধারণা, সেই গভীর শোকই তাঁর মৃত্যুর অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

 

নজরুল ইসলাম দীর্ঘদিন দেবহাটা উপজেলার জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো, বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং মানবিক আচরণের জন্য তিনি এলাকায় ব্যাপক পরিচিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে দেবহাটাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

 

পরিবার সূত্রে আরও জানা গেছে, ঢাকা থেকে মরদেহ দেবহাটায় পৌঁছানোর পর বিকেলে জানাজার নামাজ শেষে কুলিয়া ইউনিয়নের গোবরাখালী গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর মায়ের কবরের পাশেই দাফন সম্পন্ন করা হবে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com