• বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৪
সর্বশেষ :
৪০০ বছরের শ্যামসুন্দর মন্দির রক্ষায় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগ, হবে বৈজ্ঞানিক প্রি-ডকুমেন্টেশন দীর্ঘ ১৭ বছর পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা মহিলা আ:লীগ নেত্রীর জবর দখলে থাকা জমি ফিরে পেলেন প্রবাসী ও তাঁর পরিবার দেবহাটায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে শেয়ারিং মিটিং না.গঞ্জ সদরে কলেরা ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় নদী খাল রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান নদী রক্ষা কমিশন চেয়ারম্যানের দেবহাটায় গাঁজা ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৩ জন আটক কাঁকড়া রপ্তানিতে প্রধানমন্ত্রী হাত থেকে জাতীয় মৎস্য পদক নিলেন শ্যামনগরের শহিদুল ইসলাম জুয়েল সৈয়দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অসুস্থ ছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ সাতক্ষীরায় এমইপি গ্রুপের সহযোগী সম্মেলন অনুষ্ঠিত না.গঞ্জ সদরে ২০ দিনব্যাপি ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

শ্যামনগরে সহকারী শিক্ষক পদে চাকুরী দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৩১৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
অভিযোগ

সাতক্ষীরা’র শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের শ্রীফলকাটি গ্রামের মৃত ক্বারী তৈয়েবুর রহমানের প্রতারক পুত্র জি এম ফিরোজ আহমেদ আটুলিয়া ইউনিয়নের বয়ারসিংহ গ্রামের সত্যসরণ মন্ডলের স্ত্রী সুজিতা রানী মন্ডলকে প্রাইমারির স্কুলের সহকারী শিক্ষক পদে চাকুরি দেওয়ার নাম করে নগদ তিন লক্ষ বারো হাজার পাঁচশত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত দরখাস্ত দায়ের করেছে।
শনিবার ১৪ সেপ্টেম্বর বয়ারসিং গ্রামের স্ত্রী সুজিতা রানী মন্ডলের স্বামী সত্যসরণ মন্ডল বাদী হয়ে মৃত ক্বারী তৈয়েবুর রহমানের ছেলে ফিরোজ আহমেদকে বিবাদী করে অভিযোগ করে।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানাযায়,বাদী একজন গ্রাম্য প্রাণী সম্পদ (পশু) চিকিৎসক ও টেকনিশিয়ান প্রশিক্ষন প্রাপ্ত ব্যক্তি। বিবাদীর বাড়ীতে গরুর খামার থাকায় প্রায় সময় যাওয়া আসার সুবাদে বাদীর সহিত বন্ধুত্ব পরিচয় সর্ম্পক গড়ে উঠে। বিবাদী আমার স্ত্রী সুজিতা রানী মন্ডল কে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চাকুরী দেওয়ার প্রলোভন দেখাইয়া ও ভুল বুঝাইয়া বিগত ২০১৩ সালে তৎকালিন এমপির নাম ভাঙ্গাইয়া আমার নিকট থেকে তিন কিস্তিতে নগদ তিন লক্ষ বার হাজার পাঁচশত টাকা গ্রহন করে। টাকা গ্রহন করার পর বিবাদী আমার স্ত্রীকে প্রাইমারী স্কুলে সহকারীশিক্ষকা পদে চাকুরী দেয় নাই বা দিতে পারে নাই। আমি বিবাদীর কাছে বার বার টাকা চাহিলে এবং চাকুরীর কথা বলিলে সে বিভিন্ন ধরনের টালবাহনা ও অজুহাত সৃষ্টি করিয়া আমাকে অযথা হয়রানী করছে। বাদী দারুন ভাবে হয়রানীর স্বীকার হচ্ছে এবং আর্থিক ভাবে বহু ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে।
সেকারনে প্রতারনা ও বিশ্বাস ভঙ্গের দায়ে টাকা গুলি আদায় সহ তাহার বিরুদ্ধে সরকারী বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থ গ্রহণের জন্য উদ্বোধন কর্তৃপক্ষ দৃষ্টি কামনা করছি।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com