• বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২১
সর্বশেষ :
৪০০ বছরের শ্যামসুন্দর মন্দির রক্ষায় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগ, হবে বৈজ্ঞানিক প্রি-ডকুমেন্টেশন দীর্ঘ ১৭ বছর পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা মহিলা আ:লীগ নেত্রীর জবর দখলে থাকা জমি ফিরে পেলেন প্রবাসী ও তাঁর পরিবার দেবহাটায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে শেয়ারিং মিটিং না.গঞ্জ সদরে কলেরা ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় নদী খাল রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান নদী রক্ষা কমিশন চেয়ারম্যানের দেবহাটায় গাঁজা ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৩ জন আটক কাঁকড়া রপ্তানিতে প্রধানমন্ত্রী হাত থেকে জাতীয় মৎস্য পদক নিলেন শ্যামনগরের শহিদুল ইসলাম জুয়েল সৈয়দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অসুস্থ ছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ সাতক্ষীরায় এমইপি গ্রুপের সহযোগী সম্মেলন অনুষ্ঠিত না.গঞ্জ সদরে ২০ দিনব্যাপি ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

ডুমুরিয়ায় ফিলিং স্টেশনে অনিয়মের প্রতিবাদ করায় জামায়াত কর্মীকে মারধর

শেখ মাহাতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা / ১৪৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬

ডুমুরিয়ায় ফিলিং স্টেশনে অনিয়মের প্রতিবাদ করায় জামায়াত কর্মীকে মারধর বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আঠারো মাইল বাজারে সেঞ্চুরী ফিলিং স্টেশনে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল বিক্রির প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার হয়েছেন মো. মহিদুজ্জামান (৩৪) নামে এক ব্যক্তি।

 

গত বুধবার মধ্যরাতে মাগুরাঘোনা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

​শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১১টায় ডুমুরিয়া প্রেসক্লাব ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মহিদুজ্জামান এই লিখিত অভিযোগ পাঠ করেন। ভুক্তভোগী মহিদুজ্জামান মাগুরাঘোনা ইউনিয়নের মৃত আব্দুল হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ইসলামী সংগীত শিল্পী ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এবং বর্তমানে ওই ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আইটি সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে মহিদুজ্জামান জানান, গত ২ এপ্রিল (বুধবার) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে তিনি আঠারো মাইল বাজারের সেঞ্চুরী ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের তেল নিতে যান। সেখানে প্রায় দেড় শতাধিক মোটরসাইকেল লাইনে থাকলেও ইউনিয়ন বিএনপি নেতা শেখ আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বে বাইকে তেল না দিয়ে নিয়মবহির্ভূতভাবে বড় বড় পটে বা ড্রামে তেল বিক্রি করা হচ্ছিল।

 

সাধারণ বাইকারদের ভোগান্তি দেখে মহিদুজ্জামান এর প্রতিবাদ করেন এবং ঘটনার একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও ধারণ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শেখ আশরাফুল ইসলাম তাকে গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে “তুই জামাত করিস, ভিডিও করার সাহস কোথায় পেলি?” বলে তাকে শত শত মানুষের সামনে কান ও মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে মাটিতে ফেলে দেন। এরপর তাকে ৪/৫ মিনিট ধরে মারপিট ও লাঞ্ছিত করা হয়। হামলাকারী বিএনপি নেতা জোরপূর্বক মহিদুজ্জামানের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ফেসবুক থেকে ওই ভিডিওটি ডিলিট করে দেন এবং ফোনটি আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে মহিদুজ্জামান আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত আশরাফুল ইসলাম এলাকায় মাদক, জুয়া এবং বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। ইতিপূর্বে তিনি জুয়ার আসর থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং চুরির দায়েও গণপিটুনির শিকার হয়েছিলেন। একজন মাদকাসক্ত ও চোর প্রকৃতির লোক কীভাবে রাজনৈতিক দলের পদে থাকেন, তা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

ভুক্তভোগী মহিদুজ্জামান অনতিবিলম্বে অভিযুক্ত শেখ আশরাফুল ইসলামকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার এবং তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দলের ঊর্ধ্বতন নেতা ও প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com