• শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৮
সর্বশেষ :
ডুমুরিয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় পাটকেলঘাটার যুবক নি*হ*ত, আ*হত ১ দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না : নগরঘাটায় এমপি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ সাংবাদিক আব্দুল মতিন হাসপাতালে ভর্তি, সকলের কাছে দোয়া কামনা এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার্থীদের জন্য ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এমদাদুল হকের দোয়া কামনা এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার্থীদের সাফল্য কামনায় আলহাজ্ব মাঈন উদ্দিন ময়নার শুভেচ্ছা নগরঘাটায় নতুন সড়ক নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করলেন হাবিবুল ইসলাম হাবিব আশাশুনিতে মোবাইল কোর্ট : ১৩ লক্ষ টাকার বাগদা বিনষ্ট নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা গঠনের সিদ্ধান্ত বিলুপ্তপ্রায় কালিম পাখি পোষ মানিয়ে সফল ডুমুরিয়ার চুকনগরের মৎস্য ব্যবসায়ী! তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ডুমুরিয়ায় ফিলিং স্টেশনে অনিয়মের প্রতিবাদ করায় জামায়াত কর্মীকে মারধর

শেখ মাহাতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা / ১০৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬

ডুমুরিয়ায় ফিলিং স্টেশনে অনিয়মের প্রতিবাদ করায় জামায়াত কর্মীকে মারধর বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আঠারো মাইল বাজারে সেঞ্চুরী ফিলিং স্টেশনে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল বিক্রির প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার হয়েছেন মো. মহিদুজ্জামান (৩৪) নামে এক ব্যক্তি।

 

গত বুধবার মধ্যরাতে মাগুরাঘোনা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

​শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১১টায় ডুমুরিয়া প্রেসক্লাব ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মহিদুজ্জামান এই লিখিত অভিযোগ পাঠ করেন। ভুক্তভোগী মহিদুজ্জামান মাগুরাঘোনা ইউনিয়নের মৃত আব্দুল হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ইসলামী সংগীত শিল্পী ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এবং বর্তমানে ওই ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আইটি সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে মহিদুজ্জামান জানান, গত ২ এপ্রিল (বুধবার) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে তিনি আঠারো মাইল বাজারের সেঞ্চুরী ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের তেল নিতে যান। সেখানে প্রায় দেড় শতাধিক মোটরসাইকেল লাইনে থাকলেও ইউনিয়ন বিএনপি নেতা শেখ আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বে বাইকে তেল না দিয়ে নিয়মবহির্ভূতভাবে বড় বড় পটে বা ড্রামে তেল বিক্রি করা হচ্ছিল।

 

সাধারণ বাইকারদের ভোগান্তি দেখে মহিদুজ্জামান এর প্রতিবাদ করেন এবং ঘটনার একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও ধারণ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শেখ আশরাফুল ইসলাম তাকে গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে “তুই জামাত করিস, ভিডিও করার সাহস কোথায় পেলি?” বলে তাকে শত শত মানুষের সামনে কান ও মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে মাটিতে ফেলে দেন। এরপর তাকে ৪/৫ মিনিট ধরে মারপিট ও লাঞ্ছিত করা হয়। হামলাকারী বিএনপি নেতা জোরপূর্বক মহিদুজ্জামানের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ফেসবুক থেকে ওই ভিডিওটি ডিলিট করে দেন এবং ফোনটি আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে মহিদুজ্জামান আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত আশরাফুল ইসলাম এলাকায় মাদক, জুয়া এবং বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। ইতিপূর্বে তিনি জুয়ার আসর থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং চুরির দায়েও গণপিটুনির শিকার হয়েছিলেন। একজন মাদকাসক্ত ও চোর প্রকৃতির লোক কীভাবে রাজনৈতিক দলের পদে থাকেন, তা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

ভুক্তভোগী মহিদুজ্জামান অনতিবিলম্বে অভিযুক্ত শেখ আশরাফুল ইসলামকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার এবং তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দলের ঊর্ধ্বতন নেতা ও প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com