• বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০১:৪৭
সর্বশেষ :
শ্যামনগরে সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কিট বক্স বিতরণ পাটকেলঘাটায় মৎস্যচাষী প্রশিক্ষণ ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত সংবাদপত্রের কালো দিবসে তালা প্রেসক্লাবের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নওয়াপাড়া ইউনিয়নে ভিজিডব্লিউবি প্রকল্পের চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন জলবায়ু ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক নেতৃত্ব গড়ে তুলতে সাতক্ষীরায় দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শ্যামনগর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা তালার বালিয়াদহে জমজমাট ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে, সংসদে জানালেন মির্জা ফখরুল শ্যামনগরে ভিক্ষুকের সম্পত্তি দ*খল ও প্রা*ণ*না*শের হু*মকির অভিযোগ নারায়ণগঞ্জে ব্র্যাকের শিখন তরীর উদ্বোধন

তীব্র দাবদাহ ও ভ্যাপসা গরমে দেবহাটায় জনজীবন বি*প*র্য*স্ত

কেএম রেজাউল করিম, দেবহাটা সাতক্ষীরা / ৮৮ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬
Oplus_131072

জ্যৈষ্ঠের শুরুতেই তীব্র দাবদাহ ও ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সাতক্ষীরার দেবহাটার জনজীবন। প্রখর রোদ, বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও লোডশেডিং মিলিয়ে নাজেহাল অবস্থায় পড়েছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। দুপুর ১১টার পর থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাস্তা-ঘাট ও বাজার এলাকায় মানুষের উপস্থিতি অনেকটাই কমে যাচ্ছে।

 

তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গরমের তীব্রতা। শ্রমজীবী মানুষেরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। বোরো ধানের মাঠে কাজ করা কৃষিশ্রমিকরা তীব্র গরমে হাপিয়ে উঠছেন। অনেকে তালের শাঁস, শরবত ও ঠান্ডা পানি পান করে তৃষ্ণা নিবারণের চেষ্টা করছেন।

 

স্থানীয়রা জানান, দিনভর আগুন ঝরা রোদে চারদিক খাঁ খাঁ করছে। রাতেও তাপমাত্রা কম না থাকায় স্বস্তি মিলছে না সাধারণ মানুষের।

 

দেবহাটা উপজেলার বৃহত্তম গরুর হাট পারুলিয়ায় গিয়ে দেখা যায়, তীব্র তাপদাহে ক্রেতা-বিক্রেতা ও শ্রমজীবী মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। গরমের কারণে অনেকেই দীর্ঘ সময় হাটে অবস্থান করতে পারছেন না।

 

বিশিষ্ট গরু ও ছাগল ব্যবসায়ী মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, “প্রচণ্ড গরমে হাটে মানুষ কম আসছে। ব্যবসা পরিচালনা করতেও কষ্ট হচ্ছে।”

 

ভ্যানচালক আলাউদ্দিন বলেন, “অতিরিক্ত তাপের কারণে দুই-তিন ঘণ্টার বেশি ভ্যান চালাতে পারছি না। রাস্তা থেকে গরম বাতাস এসে মুখে লাগছে। বেশিক্ষণ বাইরে থাকা যায় না।”
কোঁড়া গ্রামের আব্দুল কাদের বলেন, “এই তীব্র গরমে কাজ করতে ইচ্ছে করে না। মনে হয় শরীরে আগুনের তাপ লাগছে।”

 

এদিকে অতিরিক্ত গরমে হিট স্ট্রোক, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় স্বাস্থ্যসচেতন মহল। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com