• বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৯:১৪
সর্বশেষ :
শ্যামনগরে তেল সংকটে সংগ্রহের লাইন দীর্ঘ দেড় কিলোমিটার আশাশুনির বড়দলে গৃহবধূকে র*ক্তা*ক্ত জ*খ*ম, হাসপাতালে ভর্তি দেবহাটায় বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য নুর কাশেমের জানাযা সম্পন্ন শ্যামনগরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অ*স্ত্র ও গোলাবারুদসহ কু*খ্যা*ত ছোট সুমন বাহিনীর সক্রিয় সদস্য আটক শ্যামনগরে ৬২ হাজার টাকা মূল্যের ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে সাতক্ষীরায় উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর নিম্নবিত্ত পরিবারের ঈদ আনন্দ ভাগ করে নিল সাতক্ষীরা শহর ছাত্রদল মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ব্যাহত ঈদযাত্রা, বিপাকে বাইকাররা প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছালো নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে

ফসলের হাসিতেই খুশি কৃষক ধানের চারা উৎপাদনে ব্যস্ত কৃষকেরা

মুরাদ হোসেন, মাগুরা / ১৪৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

রোদ-বৃষ্টি মাথা পেতে নেয় চাষি, মাটি ফেটে জেগে ওঠে ফসলের হাসি। অগ্রহায়ণ বাংলা বছরের নবম মাস। দেশে এখন বোরো ইরি ধানের চারা উৎপাদনের সব থেকে উৎকৃষ্ট মৌসুম। এই ধানের চারা গ্রামাঞ্চলের কৃষকদের কাছে ধানের পাতো বলে পরিচিত। এই চারার বয়স বিশ থেকে একমাস হলে রোপনের আনন্দে মেতে উঠবে কৃষকরা। তাই এখন বোরো ইরি ধানের চারা উৎপাদনের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন মাগুরার মহম্মদপুরের কৃষকরা।

 

কেউ এই মাঠে ধানের চারা উৎপাদনের জন্য বীজ তলা তৈরী করছেন, কেউ আবার প্রস্তুতকৃত বীজ তলায় অঙ্কুরিত সোনালি ধানের বীজ জমিতে সিটাচ্ছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২০-২৫ দিনের মধ্যে উৎপাদিত চারা বীজ তলা থেকে তুলে ধানের ক্ষেতে রোপণ করার উপযোগী হবে। কৃষক তখন আবাদি জমি ধান রোপণের উপযোগী করে রোপণ করবে।

 

 

বাংলাদেশে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ধানের মৌসুম। স্থানীয় পর্যায়ে এই মৌসুমকে চতে ইরির মৌসুমও বলা হয়। এই মৌসুমে কৃষক বোরো-২৯, বোরো-২৮, বোরো-১০২ সহ নতুন নতুন নানান জাতের ধানের আবাদ করে থাকে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকাসহ সদরের ঘোপ বাঁওড় ঘুরে দেখা যায়, কৃষকেরা বোরো ধানের চারা/পাতো উৎপাদনে ভীষণ ব্যস্ত সময় পার করছেন। অল্প কিছু দিন হল এই বাঁওড় থেকে বর্ষার পানি নেমে গেছে। পানি নেমে যাওয়ার কারণে কৃষকের ফসলি জমি জেগে উঠেছে।

 

 

এই বাঁওড়ের অধিকাংশ জমিতে একটি মাত্র ফসল উৎপাদিত হয়। স্থানীয় কৃষক শুধুমাত্র বোরো ইরি ধানের আবাদ করে থাকে। বর্ষার পানিতে জমি তলিয়ে যাওয়ার কারণে এখানে অন্য কোন ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয় না। ফলে স্থানীয় কৃষকদের মাত্র একটি ফসলে সন্তুষ্ট থাকতে হয়।

 

 

কৃষক বাবলু মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি জানান,”আমরা এই বাঁওড়ের জমিতে বছরে একবার ধান লাগাই। একবারের বেশি এই জমিতে ধান লাগানো যায় না। বর্ষার পানিতে বছরে ছয় মাস তলায় থায়ে। সারা বছরের খাবারের জন্যি তাই আঁটে পিটে কাজ করি। আল্লাহ করলি এই বাঁওড়ের ধান খুব ভালো হয়। আমরা তাই একবার ধান লাগায়ে সারা বছর খাই।”


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com