• বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১১
সর্বশেষ :
৪০০ বছরের শ্যামসুন্দর মন্দির রক্ষায় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগ, হবে বৈজ্ঞানিক প্রি-ডকুমেন্টেশন দীর্ঘ ১৭ বছর পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা মহিলা আ:লীগ নেত্রীর জবর দখলে থাকা জমি ফিরে পেলেন প্রবাসী ও তাঁর পরিবার দেবহাটায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে শেয়ারিং মিটিং না.গঞ্জ সদরে কলেরা ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় নদী খাল রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান নদী রক্ষা কমিশন চেয়ারম্যানের দেবহাটায় গাঁজা ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৩ জন আটক কাঁকড়া রপ্তানিতে প্রধানমন্ত্রী হাত থেকে জাতীয় মৎস্য পদক নিলেন শ্যামনগরের শহিদুল ইসলাম জুয়েল সৈয়দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অসুস্থ ছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ সাতক্ষীরায় এমইপি গ্রুপের সহযোগী সম্মেলন অনুষ্ঠিত না.গঞ্জ সদরে ২০ দিনব্যাপি ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

আধা ঘণ্টার ঝড়ে স*র্ব*না*শ, জয়পুরহাটে ধান-ঘর-বিদ্যুতে বিপ*র্যয়

অনলাইন ডেস্ক / ১৫০ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

জয়পুরহাট জেলায় হঠাৎ আঘাত হানা কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বুধবার (৬ মে) দুপুর সোয়া ১টার দিকে শুরু হওয়া এ ঝড় প্রায় আধা ঘণ্টা স্থায়ী হলেও এর তাণ্ডবে জেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আক্কেলপুর উপজেলা।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঝড়ের সময় তীব্র দমকা হাওয়া ও শিলাবৃষ্টিতে মাঠের পাকা ও আধাপাকা বোরো ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। অনেক স্থানে ধানের শিষ ভেঙে যাওয়ায় কৃষকদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ধান কাটার ঠিক আগমুহূর্তে এমন দুর্যোগে হতাশ কৃষকেরা।

 

আক্কেলপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য গাছ উপড়ে পড়ে এবং ডালপালা সড়কে ছড়িয়ে পড়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়। পৌর শহরের লেঙ্গল পীরের মাজার এলাকায় একটি শতবর্ষী গাছ ভেঙে আক্কেলপুর-বগুড়া মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের চেষ্টায় গাছ অপসারণের কাজ চললেও বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত সড়কটি স্বাভাবিক হয়নি।

 

ঝড়ের আঘাতে বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে পড়ায় পুরো উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একাধিক খুঁটি ভেঙে পড়া ও তার ছিঁড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে অন্তত দুই দিন সময় লাগতে পারে।

 

এছাড়া ক্ষেতলাল ও কালাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘরের টিনের চালা উড়ে যাওয়া, গাছ উপড়ে পড়া এবং সড়ক যোগাযোগ বিঘ্নিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। অনেক এলাকায় মানুষ আতঙ্কের মধ্যে সময় পার করেছেন।

 

গোপীনাথপুর এলাকার কৃষকেরা জানান, ধান ঘরে তোলার আগেই এমন দুর্যোগে তাদের বড় ক্ষতি হয়ে গেছে। কৃষক আবদুস সালাম বলেন, “সারা বছরের কষ্ট এক ঝড়ে শেষ হয়ে গেল।”

 

জেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে। কৃষি কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত মাঠ পরিদর্শন করছেন এবং দ্রুত ধান কেটে নিরাপদে সংরক্ষণের পরামর্শ দিচ্ছেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ কে এম সাদিকুল ইসলাম জানান, শিলাবৃষ্টির কারণে ধানের ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আকস্মিক এ দুর্যোগে জেলার কৃষি, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে, যার প্রভাব কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com