• বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১১:০৮
সর্বশেষ :
দেবহাটায় দুই দিনব্যাপী ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গঠন ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত দেবহাটায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে গাছগাছালি কর্তন ও দখলের চেষ্টা, আদালতে মামলা বল্লী মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ডুমুরিয়ায় থানার পাশের ডাকবাংলো এখন ‘ভূতুড়ে বাড়ি’ ধুলিহর শতবর্ষী আছিয়া বেগমের পাশে সদর প্রশাসন,খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিলেন সংবাদকর্মীরা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু পোনা খালে অবমুক্ত সংস্কারের অভাবে মরণফাঁদে শাহাপুর-দৌলতপুর সড়ক, ভোগান্তিতে লাখো মানুষ বিশ্বকাপে মেসির ১৭তম গোল, এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা তালায় খাল সংস্কার, পাইপ স্থাপন ও জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমের উদ্বোধন বোয়ালমারী খাল পুনঃখনন কাজের মানে সন্তুষ্ট এলাকাবাসী, বৃক্ষরোপণে সুরক্ষার দাবি

ধুলিহর শতবর্ষী আছিয়া বেগমের পাশে সদর প্রশাসন,খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিলেন সংবাদকর্মীরা

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২২ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটানো শতবর্ষী অসহায় বৃদ্ধা আছিয়া বেগমের পাশে দাঁড়িয়েছে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রশাসন। মানবিক এই উদ্যোগে বুধবার সকালে তার বাড়িতে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

 

সম্প্রতি ধুলিহর ইউনিয়নের নাথপাড়া গ্রামের শতবর্ষী আছিয়া বেগমের মানবেতর জীবনযাপনের খবর প্রকাশিত হলে বিষয়টি অবগত হন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্ত। এরপর তার নির্দেশনায় সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শাহিনুল ইসলাম প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তার ব্যবস্থা করেন।
মাইটিভির ক্যামেরাম্যান একরামুজ্জামান জনি এবং বাংলাভিশনের ক্যামেরাম্যান রাকিবের মাধ্যমে আছিয়া বেগমের বাড়িতে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়। সহায়তার মধ্যে ছিল ১০ কেজি চাল, ১ কেজি চিনি, ভোজ্যতেল, লবণসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্য।

 

 

উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের নাথপাড়ার একটি নির্জন এলাকায় বসবাস করেন শতবর্ষী আছিয়া বেগম। প্রায় ২০ বছর আগে তার স্বামী ময়েজউদ্দিন ঢালী মারা যান। দুই ছেলে নিজেদের অভাব-অনটন ও অসুস্থতার কারণে বৃদ্ধ মায়ের দায়িত্ব নিতে পারেননি। অপরদিকে দুই মেয়েও স্বামীর সংসারে কষ্টে দিনযাপন করছেন।

 

বর্তমানে সরকারের বয়স্ক ভাতার মাত্র ৬০০ টাকাই তার বেঁচে থাকার একমাত্র সম্বল। গত ২০ জুন সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, একটি ভাঙাচোরা টিনের কুঁড়েঘরে অত্যন্ত মানবেতর অবস্থায় বসবাস করছেন তিনি। মরিচাধরা টিনের চাল দিয়ে সামান্য বৃষ্টিতেই ঘরের ভেতরে পানি পড়ে। জীর্ণশীর্ণ সেই ঘরে ন্যূনতম জীবনযাপনের সুযোগ-সুবিধাও নেই।

 

সদর প্রশাসনের এই মানবিক সহায়তায় খুশি আছিয়া বেগম। তিনি প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সহযোগীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

স্থানীয়রা জানান, বৃদ্ধার জন্য স্থায়ীভাবে বসবাসের উপযোগী একটি ঘর ও নিয়মিত সহায়তার ব্যবস্থা করা হলে তার জীবনের শেষ সময়টুকু কিছুটা স্বস্তিতে কাটবে।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com