• বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৯
সর্বশেষ :
না.গঞ্জ সদরে ৮ প্রতিবন্ধী ব্যাক্তির মাঝে ব্যবসা সামগ্রী বিতরণ দেবহাটায় পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় বাংলা নববর্ষ বরণে জেলা প্রশাসনের বৈশাখী শোভাযাত্রার আয়োজন দেবহাটায় জ্বালানি তেল বিক্রয় কার্যক্রম পরিদর্শনে ইউএনও দেবহাটায় রাস্তার সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ, ইউএনওর নিকট লিখিত আবেদন শ্যামনগর সুন্দরবনে দ*স্যু দমনে যৌথ অভিযান শুরু নারায়ণগঞ্জে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত সুন্দরবনে কাকড়া স্বীকার করে আসার সময় বনদস্যুদের গু*লিতে আহত জেলে সাতক্ষীরা সদর থানায় পুলিশ সুপারের পরিদর্শন, গার্ড অব অনার ও দিকনির্দেশনা প্রদান ঢাকার পল্লবী থেকে কু*খ্যা*ত স*ন্ত্রা*সী বাহার আলী গ্রেফতার

গাছ উজাড় হওয়ার ফলে পরিবেশের উপর পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৭৪০ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
Oplus_131072

এ গাছ অনেক উঁচু হওয়ায় কাক, কোকিল, চিল, বকসহ বিভিন্ন ধরনের পাখি বাসা বেঁধে বসবাস করত। এ গাছ উজাড় হওয়ার ফলে এসব পাখিরা আবাসস্থল হারিয়ে পড়েছে অস্তিত্ব সংকটে। গাছ না থাকায় আবাসস্থলের অভাবে ধীরে ধীরে এসব পাখিরাও হারিয়ে যাচ্ছে।

 

উপজেলার কোড়া গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি হোসেন আলি (৭০) বলেন, গ্রামে প্রচুর শিমুল গাছ ছিল। এই শিমুল ঔষধি গাছ হিসেবেও পরিচিত। গ্রামাঞ্চলের মানুষ বিষফোঁড়া ও কোষ্ঠ-কাঠিন্য নিরাময়ে এ গাছের মূল ব্যবহার করত।

 

একই গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি ওমর আলি (৬৫) বলেন, একটি বড় ধরনের গাছ থেকে তুলা বিক্রি করে ১০-১৫ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। আগের তুলনায় এখন শিমুলের তুলার দাম অনেক বেড়ে গেছে। এর পরও এই গাছ নিধন হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

 

এ বিষয়ে প্রবীণ ব্যক্তিরা বলেন, শিমুল গাছ রক্ষায় এখনই ব্যবস্থা না নিলে এক সময় উপকারী গাছের তালিকা থেকে এ গাছটি হারিয়ে যাবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়তো জানতেও পারবে না বাংলার মাটিতে শিমুল নামে কোনো গাছ ছিল।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com