• মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪১
সর্বশেষ :
ঘূ*র্ণিঝ*ড়ে প্রায় দুই শতাধিক বাড়িঘর ল*ণ্ড*ভণ্ড দেবহাটা উপজেলা শিক্ষা ক্লাস্টার কমিটি, শিক্ষা কর্মকর্তা ও রিডিং ক্যাম্পের সাথে সমন্বয় সভা শ্যামনগরে দেশীয় অ*স্ত্রের আ*ঘা*তে র*ক্তা*ক্ত জ*খ*ম -১ রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গু*লিতে আ*হত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিবের মৃ*ত্যু শ্যামনগরে পেট্রোল প্যাম্পগুলোতে প্রশাসনের মনিটরিং অভিযান কালিগঞ্জে সাংবাদিক সমিতি আয়োজনে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত পিওর ক্রপস লিমিটেডের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও কুরআনের পাখিদের মধ্যে পোষাক বিতরণ উপজেলায় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন তালার শেখ ইয়াসিন আলী সাতক্ষীরা সদরে অদম্য নারী পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত পাঁচ নারীর আত্মকথা শ্যামনগরে এডিস মশা নির্মূলে পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা অভিযান

গাছ উজাড় হওয়ার ফলে পরিবেশের উপর পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৭১৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
Oplus_131072

এ গাছ অনেক উঁচু হওয়ায় কাক, কোকিল, চিল, বকসহ বিভিন্ন ধরনের পাখি বাসা বেঁধে বসবাস করত। এ গাছ উজাড় হওয়ার ফলে এসব পাখিরা আবাসস্থল হারিয়ে পড়েছে অস্তিত্ব সংকটে। গাছ না থাকায় আবাসস্থলের অভাবে ধীরে ধীরে এসব পাখিরাও হারিয়ে যাচ্ছে।

 

উপজেলার কোড়া গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি হোসেন আলি (৭০) বলেন, গ্রামে প্রচুর শিমুল গাছ ছিল। এই শিমুল ঔষধি গাছ হিসেবেও পরিচিত। গ্রামাঞ্চলের মানুষ বিষফোঁড়া ও কোষ্ঠ-কাঠিন্য নিরাময়ে এ গাছের মূল ব্যবহার করত।

 

একই গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি ওমর আলি (৬৫) বলেন, একটি বড় ধরনের গাছ থেকে তুলা বিক্রি করে ১০-১৫ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। আগের তুলনায় এখন শিমুলের তুলার দাম অনেক বেড়ে গেছে। এর পরও এই গাছ নিধন হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

 

এ বিষয়ে প্রবীণ ব্যক্তিরা বলেন, শিমুল গাছ রক্ষায় এখনই ব্যবস্থা না নিলে এক সময় উপকারী গাছের তালিকা থেকে এ গাছটি হারিয়ে যাবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়তো জানতেও পারবে না বাংলার মাটিতে শিমুল নামে কোনো গাছ ছিল।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com