• শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৪
সর্বশেষ :
আশাশুনির শিশু আলভী ৪ দিন নিখোঁজ সাতক্ষীরায় পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি গ্রেপ্তার তালার সুভাষিনী গ্রামে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি, নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুট দেবহাটায় বিধবা ও প্রতিবন্ধীর জমি জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীর থানা পুলিশের অভিযানে ৩জন গ্রেফতার সংসদ নির্বাচন: সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক কার্ড অনলাইনে দেবে ইসি না.গঞ্জ সদরে শীতার্ত এতিম মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে ডিসির কম্বল বিতরণ মনিরামপুরে ব্যবসায়ী রানা প্রতাপ হ*ত্যাকান্ডে বান্ধবী ঝুমুর পুলিশ হেফাজতে সাতক্ষীরার দেবহাটায় তীব্র শীতে ব্যাহত জীবন যাত্রা সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মোঃ আরেফিন জুয়েলের আশাশুনি থানা পরিদর্শন

গাছ উজাড় হওয়ার ফলে পরিবেশের উপর পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৬৩৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
Oplus_131072

এ গাছ অনেক উঁচু হওয়ায় কাক, কোকিল, চিল, বকসহ বিভিন্ন ধরনের পাখি বাসা বেঁধে বসবাস করত। এ গাছ উজাড় হওয়ার ফলে এসব পাখিরা আবাসস্থল হারিয়ে পড়েছে অস্তিত্ব সংকটে। গাছ না থাকায় আবাসস্থলের অভাবে ধীরে ধীরে এসব পাখিরাও হারিয়ে যাচ্ছে।

 

উপজেলার কোড়া গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি হোসেন আলি (৭০) বলেন, গ্রামে প্রচুর শিমুল গাছ ছিল। এই শিমুল ঔষধি গাছ হিসেবেও পরিচিত। গ্রামাঞ্চলের মানুষ বিষফোঁড়া ও কোষ্ঠ-কাঠিন্য নিরাময়ে এ গাছের মূল ব্যবহার করত।

 

একই গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি ওমর আলি (৬৫) বলেন, একটি বড় ধরনের গাছ থেকে তুলা বিক্রি করে ১০-১৫ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। আগের তুলনায় এখন শিমুলের তুলার দাম অনেক বেড়ে গেছে। এর পরও এই গাছ নিধন হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

 

এ বিষয়ে প্রবীণ ব্যক্তিরা বলেন, শিমুল গাছ রক্ষায় এখনই ব্যবস্থা না নিলে এক সময় উপকারী গাছের তালিকা থেকে এ গাছটি হারিয়ে যাবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়তো জানতেও পারবে না বাংলার মাটিতে শিমুল নামে কোনো গাছ ছিল।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com