• সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ০৭:০২
সর্বশেষ :
ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করল বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম দেশ তীব্র দাবদাহ ও ভ্যাপসা গরমে দেবহাটায় জনজীবন বি*প*র্য*স্ত তালা উপজেলার শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত মোঃ আবদুল মজিদ সাংবাদিক পরিবারও রেহাই পায়নি চেয়ারম্যান হাকিমের হাত থেকে! মারা গেছেন কারিনা কায়সার ডুমুরিয়ায় লবণাক্ত জমিতেও সূর্যমুখীর বাম্পার ফলন নাছিম ফারুক খান মিঠুর সাথে জেলা ছাত্রদলের শাহীন ইসলামের শুভেচ্ছা বিনিময় সুন্দরবনে ফের বনদস্যু*দের তাণ্ডব, সাতক্ষীরা রেঞ্জ থেকে ৮ জেলে অ*প*হরণ মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির দৌরাত্ম্য, মাদকের স্বর্গে পরিণত সরুলিয়া বাজার! জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্য পদ লাভ করলেন এম সামাদ মতিন

গাছ উজাড় হওয়ার ফলে পরিবেশের উপর পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৮০০ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
Oplus_131072

এ গাছ অনেক উঁচু হওয়ায় কাক, কোকিল, চিল, বকসহ বিভিন্ন ধরনের পাখি বাসা বেঁধে বসবাস করত। এ গাছ উজাড় হওয়ার ফলে এসব পাখিরা আবাসস্থল হারিয়ে পড়েছে অস্তিত্ব সংকটে। গাছ না থাকায় আবাসস্থলের অভাবে ধীরে ধীরে এসব পাখিরাও হারিয়ে যাচ্ছে।

 

উপজেলার কোড়া গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি হোসেন আলি (৭০) বলেন, গ্রামে প্রচুর শিমুল গাছ ছিল। এই শিমুল ঔষধি গাছ হিসেবেও পরিচিত। গ্রামাঞ্চলের মানুষ বিষফোঁড়া ও কোষ্ঠ-কাঠিন্য নিরাময়ে এ গাছের মূল ব্যবহার করত।

 

একই গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি ওমর আলি (৬৫) বলেন, একটি বড় ধরনের গাছ থেকে তুলা বিক্রি করে ১০-১৫ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। আগের তুলনায় এখন শিমুলের তুলার দাম অনেক বেড়ে গেছে। এর পরও এই গাছ নিধন হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

 

এ বিষয়ে প্রবীণ ব্যক্তিরা বলেন, শিমুল গাছ রক্ষায় এখনই ব্যবস্থা না নিলে এক সময় উপকারী গাছের তালিকা থেকে এ গাছটি হারিয়ে যাবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়তো জানতেও পারবে না বাংলার মাটিতে শিমুল নামে কোনো গাছ ছিল।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com