• শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ১২:৩৬
সর্বশেষ :
ব্রহ্মরাজপুর পশুর হাটে চো*রাই গরুসহ আ*ট*ক ২, পুলিশে সোপর্দ শিশু রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন প্রধানমন্ত্রী দেবহাটায় ভূমিসেবা মেলা উপলক্ষে কুইজ প্রতিযোগিতা ডুমুরিয়া বাজারে পূবালী ব্যাংকে সঞ্চয় করুন নিরাপদে থাকুন স্লোগানে গ্রাহক সমাবেশ নারায়ণগঞ্জে ড্যাবের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি কয়রায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ পালিত দেবহাটায় অগ্নি নিরাপত্তা ও সচেতনতায় নানা আয়োজন দেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে বিধবা নারীর ঘর বিধ্বস্ত, খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন অ*পপ্রচারের প্রতিবাদে কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির সংবাদ সম্মেলন ব্র্যাক ডেইরি উদ্যোগে সাতক্ষীরায় নিরাপদ দুগ্ধ উৎপাদন, পরিবহন ও সংরক্ষণ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

গাছ উজাড় হওয়ার ফলে পরিবেশের উপর পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৮০৮ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
Oplus_131072

এ গাছ অনেক উঁচু হওয়ায় কাক, কোকিল, চিল, বকসহ বিভিন্ন ধরনের পাখি বাসা বেঁধে বসবাস করত। এ গাছ উজাড় হওয়ার ফলে এসব পাখিরা আবাসস্থল হারিয়ে পড়েছে অস্তিত্ব সংকটে। গাছ না থাকায় আবাসস্থলের অভাবে ধীরে ধীরে এসব পাখিরাও হারিয়ে যাচ্ছে।

 

উপজেলার কোড়া গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি হোসেন আলি (৭০) বলেন, গ্রামে প্রচুর শিমুল গাছ ছিল। এই শিমুল ঔষধি গাছ হিসেবেও পরিচিত। গ্রামাঞ্চলের মানুষ বিষফোঁড়া ও কোষ্ঠ-কাঠিন্য নিরাময়ে এ গাছের মূল ব্যবহার করত।

 

একই গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি ওমর আলি (৬৫) বলেন, একটি বড় ধরনের গাছ থেকে তুলা বিক্রি করে ১০-১৫ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। আগের তুলনায় এখন শিমুলের তুলার দাম অনেক বেড়ে গেছে। এর পরও এই গাছ নিধন হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

 

এ বিষয়ে প্রবীণ ব্যক্তিরা বলেন, শিমুল গাছ রক্ষায় এখনই ব্যবস্থা না নিলে এক সময় উপকারী গাছের তালিকা থেকে এ গাছটি হারিয়ে যাবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়তো জানতেও পারবে না বাংলার মাটিতে শিমুল নামে কোনো গাছ ছিল।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com