• শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০১:১৬
সর্বশেষ :
আশাশুনিতে স্টার্টআপ সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে ব*হিস্কারাদেশ প্রত্যাহার হতেই মা*ম*লার স্বাক্ষীকে হু*ম*কি যুবদল নেতার বিশ্বজুড়ে ফেসবুক ডাউন, আইডি-মেসেঞ্জার অটো লগআউট আন্তর্জাতিক হচ্ছে যশোরসহ আরও চার বিমানবন্দর বিশ্বকাপের উদ্বোধনী রাত, কখন বসবেন টিভির সামনে আশাশুনির মহেশ্বরকাটি মৎস্য সেটে ব্যবসায়ীকে বিমোহিত করে টাকা লোপাট নারায়ণগঞ্জে গ্রাম আদালত বিষয়ক রিফ্রেশার্স প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত মাদক, জুয়া ও ইভটিজিংয়ের আখড়ায় পরিণত কাশিমাড়ীর সফিউল্লার চায়ের দোকান, এলাকাবাসীর ক্ষোভ তালা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এ্যাডহক কমিটি অনুমোদন সদস্য সচিব হলেন এম মফিদুল হক লিটু দেবহাটায় কৃষকদের মাঝে অপসিজন তরমুজ বীজ বিতরণ

গাছ উজাড় হওয়ার ফলে পরিবেশের উপর পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৮৫৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
Oplus_131072

এ গাছ অনেক উঁচু হওয়ায় কাক, কোকিল, চিল, বকসহ বিভিন্ন ধরনের পাখি বাসা বেঁধে বসবাস করত। এ গাছ উজাড় হওয়ার ফলে এসব পাখিরা আবাসস্থল হারিয়ে পড়েছে অস্তিত্ব সংকটে। গাছ না থাকায় আবাসস্থলের অভাবে ধীরে ধীরে এসব পাখিরাও হারিয়ে যাচ্ছে।

 

উপজেলার কোড়া গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি হোসেন আলি (৭০) বলেন, গ্রামে প্রচুর শিমুল গাছ ছিল। এই শিমুল ঔষধি গাছ হিসেবেও পরিচিত। গ্রামাঞ্চলের মানুষ বিষফোঁড়া ও কোষ্ঠ-কাঠিন্য নিরাময়ে এ গাছের মূল ব্যবহার করত।

 

একই গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি ওমর আলি (৬৫) বলেন, একটি বড় ধরনের গাছ থেকে তুলা বিক্রি করে ১০-১৫ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। আগের তুলনায় এখন শিমুলের তুলার দাম অনেক বেড়ে গেছে। এর পরও এই গাছ নিধন হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

 

এ বিষয়ে প্রবীণ ব্যক্তিরা বলেন, শিমুল গাছ রক্ষায় এখনই ব্যবস্থা না নিলে এক সময় উপকারী গাছের তালিকা থেকে এ গাছটি হারিয়ে যাবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়তো জানতেও পারবে না বাংলার মাটিতে শিমুল নামে কোনো গাছ ছিল।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com