• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪২
সর্বশেষ :
সাতক্ষীরায় মানবতার দৃষ্টান্ত ডা. বলরাম বিশ্বাস, ১০ হাজার প্রতিবন্ধীকে দিয়েছেন বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা আমাকেও নিয়ে যাও, আমি কেমনে থাকবো: গু*লিতে নি*হ*ত সেনাসদস্যের স্ত্রী মাগুরায় প্রাচীন ঐতিহ্য লাঠি খেলা দেখতে নারী পুরুষের উপচে পড়া ভিড় মাদক, ইভটিজিং, অনলাইন জুয়া ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ওসি শাহিদুর রহমানের এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির নেত্রী সামান্তা শারমিন জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে দৈনিক সাতক্ষীরা খবর পত্রিকার শুভ উদ্বোধন দেবহাটায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন ২ এর শুভ উদ্বোধন পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন: ইসি’র নতুন রোডম্যাপ ও মাঠপর্যায়ে বিশেষ নির্দেশনা পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রে*ফ*তারি পরোয়ানা প্রথম আলোর সেরা প্রতিনিধি নির্বাচিত হ‌লেন ইমতিয়াজ, সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের অভিনন্দন

পাকিস্তানের জনগণ নতুন সরকার চায়

প্রতিনিধি: / ৫৬৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

আন্তর্জাতিক: পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচনের তিন দিন পর প্রাথমিক ফলাফলে ইমরান খানের পিটিআই এগিয়ে আছে। পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, হাজারো প্রতিবন্ধকতার পরও অনাস্থা ভোটে হেরে গদিচ্যুত হওয়া ইমরানের দলের নির্বাচনে এই ‘ম্যাজিক’ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, পাকিস্তানের জনগণ আসলে একটি পরিবর্তনের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। তবে নির্বাচনে কোনো দলই সরকার গঠনের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। পাকিস্তানের রাজনীতি ও অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ ফারজানা শেখ বলেছেন, নির্বাচনের ফলাফল ছিল আশ্চর্যজনক। ধারণা করা হচ্ছিল, সামরিক বাহিনীর পছন্দের প্রার্থী (নওয়াজ শরিফ) জয় পাবেন। তবে তা ঠেকাতে লাখ লাখ মানুষ ভোট দিয়েছে। তিনি আরো বলেন, তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি পাকিস্তানের জনগণের গভীর হতাশার চিত্রকে ফুটিয়ে তুলেছে এই ফলাফল-যারা সত্যিই পরিবর্তনের জন্য মরিয়া; নতুন সরকার পেতে মরিয়া। পাকিস্তানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও লেখক জাহিদ হুসেইন বলেছেন, নির্বাচনের ফলাফলে স্পষ্ট হয়েছে যে সরকার গঠনের মতো একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি কোনো দল। এই পরিস্থিতি থেকে পাকিস্তানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অত্যন্ত অনিশ্চিত। নির্বাচনী অচলাবস্থা হলে কী হতে পারে? পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় নির্বাচনী অচলাবস্থা সৃষ্টির আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকদের অনেকে। আর এমনটা হলে চারটি পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। প্রথমত, পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি ও অন্যান্য দলের সঙ্গে মিলে জোট সরকারের নেতৃত্বে থাকতে পারেন পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) প্রধান নওয়াজ শরিফ। দ্বিতীয়ত, অন্যান্য দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত স্বতন্ত্র বিজয়ী প্রার্থীরা ক্ষমতায় আসতে পারে। তৃতীয়ত, পিপিপি জোট সরকার গঠনের জন্য চাপ সৃষ্টি করতে পারে, কারণ তাদের ছাড়া কোনো দল ক্ষমতায় বসতে পারবে না। চতুর্থত, কোনো চুক্তি না-ও হতে পারে এবং প্রায় তিন দশক পাকিস্তানকে শাসন করা সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখলে নিতে পারে। কেন এত স্বতন্ত্র প্রার্থী জয় পেল? পাকিস্তানের নির্বাচনে চ‚ড়ান্ত ফলাফলে দেখা গেছে, ইমরান খানের দল পিটিআই সমর্থিত ৯৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী জয় পেয়েছেন। নির্বাচনী আইন অমান্য করার অজুহাতে নির্বাচন কমিশন পিটিআইয়ের প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রতীক ‘ব্যাট’ ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় তাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই লড়তে হয়। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যাঁরা জয় পেয়েছেন তাঁরা অন্য দলে যোগ না দিয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে জোটবদ্ধ হতে পারবেন। সম্মিলিতভাবে ১৩৪টি আসন পেলে তাঁরা সরকার গঠন করতে পারবে। যদিও পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী, পার্লামেন্টে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত আসন বরাদ্দ থাকে না। এর মানে ৭০টি সংরক্ষিত আসন দলের শক্তিমত্তা অনুযায়ী বণ্টন করা হবে। ফলে নওয়াজ শরিফের দল এর মধ্যে ২০টি আসন পেতে পারে। সূত্র : আলজাজিরা


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com