• শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১১
সর্বশেষ :
পৌরসভার অব্যবস্থাপনায় স্যাতসেঁতে মাংস বাজার, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ক্রেতারা দেবহাটার কৃতি সন্তান ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টারের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলোচনা ও স্মৃতিচারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা মেরামত করল ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশন তালায় উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা শ্যামনগরে চিংড়িঘের দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন দেবহাটায় জেলি পুশকৃত চিংড়ি বিনষ্ট, তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা ভারতে পালানোর সময় যেভাবে গ্রেপ্তার হলেন শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন বিশ্ব বাঘ দিবস উপলক্ষে র‍্যালি,আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ শ্যামনগরে ইয়াবাসহ তিনজন মাদক কারবারি আটক

ধূলিহরে মোটর চুরি চক্রের এক সদস্য আটক, ছয়টি মোটর উদ্ধার

জিএম আমিনুল হক / ১৬৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬

সাতক্ষীরার সদর উপজেলার ধূলিহরে মোটর চুরি চক্রের এক সদস্যকে আটক করে তার স্বীকারোক্তিতে ছয়টি মোটর উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আটক ব্যক্তিকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে ধূলিহর ও আশপাশের এলাকায় সেচের মোটর চুরি করে একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিক্রি করে আসছিল।

 

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে সদর উপজেলার ধূলিহর সানাপড়া এলাকার মুন্না বিশ্বাস (৩৫), পিতা শাজাহান বিশ্বাস এবং ব্রহ্মরাজপুর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলামের পৃথক দুটি সেচ মোটর চুরি হয়। চুরি যাওয়া মোটর উদ্ধারের চেষ্টা করতে গিয়ে সন্দেহভাজন শরিফুল মোল্লা (৩০), পিতা ফজলু মোল্লা এবং একই এলাকার তার সহযোগী সাঈদ বিশ্বাস (২৭), পিতা আয়ুব আলী বিশ্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

 

জিজ্ঞাসাবাদে তারা তাদের আরেক সহযোগী মৃত কুদ্দুস দাইয়ের ছেলে সুমন দাই (৩২)-এর নাম স্বীকার করে। তাদের দেওয়া তথ্যে আরও জানা যায়, তারা এর আগে এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় ৩৫টি সেচ মোটর চুরি করে একই এলাকার মহিউদ্দিন সানার ছেলে জাকির সানার মাধ্যমে বিক্রি করেছে।

 

সুমন দাইকে খুঁজতে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে মোটর চুরি চক্রের মূল হোতা শরিফুল মোল্লা দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী আটক সাঈদকে সঙ্গে নিয়ে ধূলিহর জাহানাবাজ এলাকার মৃত অধীর বিশ্বাসের ছেলে সত্যজিৎ বিশ্বাসের বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে ছয়টি মোটর উদ্ধার করে।

 

উদ্ধারকৃত মোটরের মধ্যে একটি ব্রহ্মরাজপুর বাজারের বিশিষ্ট ধান ব্যবসায়ী আব্দুল খালেকের বলে শনাক্ত করা হয়েছে। পরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরীর কাছে বিষয়টি জানালে তার উপস্থিতিতে আরও পাঁচটি মোটর উদ্ধার করা হয়।

 

ইউনিয়ন পরিষদ সূত্র জানায়, উদ্ধারকৃত ছয়টি মোটরের মধ্যে পাঁচটি থানায় জমা দেওয়া হয়েছে এবং একটি মোটর যথাযথ প্রমাণ সাপেক্ষে মালিককে ফেরত দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় শুধু সাঈদ বিশ্বাসকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

 

এদিকে ধূলিহর ও আশপাশের এলাকার অন্তত ১৪ জন ব্যক্তি পৃথকভাবে ইউনিয়ন পরিষদে মোটর চুরির অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগকারীদের মধ্যে রয়েছেন বেরবাড়ি গ্রামের মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. শামীম শেখ, জাহানাবাজ গ্রামের খোকন বিশ্বাস, হরষিত মাস্টার, আরশাদ আলি ও রফিকুল ইসলাম, জিয়ালা গ্রামের মোকলেছুর রহমান, সরদারপাড়ার রুহুল আমিন বাবলু এবং পুরাতন সাতক্ষীরার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম মনি সহ আরও অনেকে।

 

চুরি হওয়া সব মোটর উদ্ধার এবং মোটর চুরির সঙ্গে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও এলাকার সাধারণ মানুষ।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com