সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে রমজান মাস চলমান থাকলেও নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় আগাম ঈদ উদযাপনের এই চিত্র দেখা গেছে।
শুক্রবার সকাল ৮টায় সদর উপজেলার বাউকোলা পূর্বপাড়া জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয় ঈদের প্রধান জামাত। ভোর থেকেই আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে দলে দলে মুসল্লিরা মসজিদ প্রাঙ্গণে এসে জড়ো হতে থাকেন। ঈদের আনন্দ আর ভিন্নধর্মী এই উদযাপনকে ঘিরে এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
ঈদের এই জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা মহব্বত আলী। নামাজে পুরুষ ও মহিলা মিলিয়ে শতাধিক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। অনেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ঈদের নামাজ আদায় করতে আসেন, ফলে মসজিদ প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকা মুসল্লিদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে।
সাতক্ষীরা সদরের বাউকোলা, আখড়াখোলা, তলুইগাছা ছাড়াও কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া, তালা উপজেলার ইসলামকাটি, খলিলনগর ও পাইকগাছাসহ বিভিন্ন এলাকার মুসল্লিরা এতে অংশ নেন বলে জানা গেছে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা মুসল্লিদের উপস্থিতি এবারের জামাতে ছিল চোখে পড়ার মতো।
মসজিদের ইমাম মাওলানা মহব্বত আলী জানান, তারা চাঁদ দেখে রোজা পালন করেন এবং শাওয়াল মাসের প্রথম দিন চাঁদ দেখে ঈদের নামাজ আদায় করেন। সেই হিসাব অনুযায়ী সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে তারা একদিন আগে ঈদ উদযাপন করছেন। তিনি বলেন, “আমরা ধর্মীয় নিয়ম অনুসরণ করে আমাদের ঈদ পালন করে থাকি এবং প্রতি বছরই এভাবে ঈদ উদযাপন করা হয়।”
নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ছোট-বড় সবার মাঝে আনন্দের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। আগাম ঈদ উদযাপনকে ঘিরে পুরো এলাকায় বিরাজ করে এক ভিন্নধর্মী আনন্দঘন পরিবেশ।
https://www.kaabait.com