• মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৭
সর্বশেষ :
দেবহাটায় বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য নুর কাশেমের জানাযা সম্পন্ন শ্যামনগরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অ*স্ত্র ও গোলাবারুদসহ কু*খ্যা*ত ছোট সুমন বাহিনীর সক্রিয় সদস্য আটক শ্যামনগরে ৬২ হাজার টাকা মূল্যের ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে সাতক্ষীরায় উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর নিম্নবিত্ত পরিবারের ঈদ আনন্দ ভাগ করে নিল সাতক্ষীরা শহর ছাত্রদল মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ব্যাহত ঈদযাত্রা, বিপাকে বাইকাররা প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছালো নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে শিশুর মটরভ্যান ছি*ন*তাইয়ের দিনেই আসামীসহ উদ্ধার করেছে পুলিশ আজ তিন দেশে ঈদ উদযাপন, মধ্যপ্রাচ্যে একদিন পর

আশাশুনির আরার দারুল উলুম কওয়ামী মাদ্রাসা নানামুখী সমস্যায় জর্জরিত: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি প্রতিনিধি / ১৪৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬

নানা জটিলতায় নিতান্তই অসহায়ভাবে পবিত্র কোরআন শিক্ষা নিতে হচ্ছে আশাশুনির আরার দারুল উলুম কওয়ামী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের।

 

শ্রেণী কক্ষের স্বল্পতা, আবাসন ব্যবস্থা না থাকা, সুপেয় পানির অভাব, সীমানা প্রাচীর না থাকায় নিরাপত্তা জটিলতার মধ্যেও চলছে ৭৫ জন শিশুর পবিত্র কোরআন শিক্ষা।

 

সরজমিন মাদ্রাসা ঘুরে দেখা গেছে, চলমান শৈত্যপ্রবাহের মধ্যেও একচালা টিনের ঘরের মেঝেতে মাদুর পেতে শীতে কাঁপতে কাঁপতে তারা পড়াশোনা করছে। দ্বীনের শিক্ষায় শিক্ষিত হতে বিরুদ্ধ প্রকৃতির সাথে হার না মানা লড়াইটা তাঁরা দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করে যাচ্ছে এই শিশু বয়সেই।

 

মাদ্রাসা সুপারিনটেনডেন্ট মিয়ারাজ আলী সাংবাদিকদের জানান শত কষ্টের মাঝেও হাসিমুখে কিভাবে তিনি এই অসহায় এতিম শিশুদের মাঝে দ্বীনের শিক্ষার ব্যবস্থা করে যাচ্ছেন।

 

তিনি বলেন, আশেপাশের অসহায়, হতদরিদ্র ও এতিম শিশুদের নূরানী, নাজরা, হেফজ ও কিতাব খানা শিক্ষা দানের লক্ষ্যে সকলের পরামর্শ, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতার আশ্বাসে গ্রামে একটি দারুল উলুম কওয়ামী মাদ্রাসা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। জমি দিতে কেউ সম্মত না হলে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা নিয়ে কাদাকাটি বাজার সংলগ্ন অতি মনোরম পরিবেশের নিজস্ব প্রায় ৩ বিঘা জমিতে ২০০৫ সালে তিনি কওয়ামী মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। টিনের চাল ও বেড়া দিয়ে, এলাকা থেকে বাঁশ চেয়ে নিয়ে কয়েকটি কক্ষ নির্মাণ করে ৩ জন শিক্ষক নিয়ে আমরা মাদ্রাসার পাঠদান শুরু করি।

 

এলাকার অসহায়, দুঃস্থ ও এতিম ছেলেমেয়েদের ইসলামী শিক্ষার ব্যবস্থা হওয়ায় অভিভাকরা তাদের শিশুদের মাদ্রাসায় পাঠাতে শুরু করেন। কিন্তু টিনের ঘরে গরমের সময় যেমন গরম তেমন শীতের সময় প্রচণ্ড শীতে ছেলেমেয়েদের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। আবার বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে কাদাপানিতে পাঠদান ব্যাহত হয়। তারপরও বর্তমানে ৭৫ জন নিয়মিত শিক্ষার্থী এখানে পড়াশোনা করছে। শ্রেণী কক্ষের স্বল্পতা ও আবাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে দ্বিতল ভবন নির্মাণ, সুপেয় পানির অভাব পূরণে গভীর নলকূপ স্থাপন ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com