• মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৩
সর্বশেষ :
ডিজিএফআই কর্মকর্তা পরিচয়ে ফিলিং স্টেশনে তদারকি, নন্দীগ্রামে যুবক গ্রেপ্তার শিমুলবাড়ীয়ায় মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় দুইজনকে কু*পি*য়ে জ*খ*ম দেবহাটায় Basic Learner Exploration Exam 2026 অনুষ্ঠিত রাতভর পি*টি*য়ে সকালে উপড়ে ফে*লা হলো দুই চোখ না.গঞ্জে সদরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ না.গঞ্জ সদর মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা জানা গেল প্রতিদিন কয় ঘণ্টা লোডশেডিং হতে পারে! সরকারি চাকরিতে প্রবেশের নতুন বয়স নির্ধারণ পাইকগাছায় হামের প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কা : সতর্ক থাকার আহ্বান বিশেষজ্ঞদের জংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের চরম দুর্ভোগ

রমজানেও তীব্র মানবিক সংকটে গাজা, চারদিকে ক্ষুধা আর মৃত্যুর হাহাকার

প্রতিনিধি: / ৩০৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০২৪

দীর্ঘ পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে ইসরাইলি সেনাদের অত্যাচার, গণহত্যা, রোগ, ক্ষুধা-পিপাসায় কাটছে গাজাবাসীর দিন। রমজান মাসেও বিন্দুমাত্র কমেনি তাদের নৃশংসতা। চারদিকে ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনিদের হাহাকার। পাশাপাশি ইসরায়েলি বাহিনীর অবিরাম গুলি আর বোমাবর্ষণের মধ্যেই পবিত্র রমজান মাসকে স্বাগত জানিয়েছেন ফিলিস্তিনিরা।
এ বছর গাজার ২৩ লাখ ফিলিস্তিনিদের রমজান মাস দুঃখ এবং অন্ধকারে ঢেকে গেছে। এক বছর আগেও যেখানে রমজানে মানুষের উৎসব ছিল, জীবন ছিল স্বাভাবিক। অথচ এখন চারদিকে ধ্বংসস্তূপ আর সেখানে চাপা পড়া মৃত মানুষের স্বজনদের আহাজারি।

প্রতি বছরের তুলনায় এবারের রমজান গাজাবাসীর জন্য একেবারেই ভিন্ন। রমজান মাসের শুরু থেকেই তাদের খুব কঠিন সময় পার করতে হচ্ছে। ইফতার ও সেহেরি করার মতো এখানে কোন খাবার নেই। পাশাপাশি রাফায় এখন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য আকাশচুম্বী।
বাজারে গিয়েও অনেকে মেলাতে পারছেন না হিসাব। বাজারের ঊর্ধ্বমুখী দামের ফলে কেনার সামর্থ্য হারিয়েছেন তারা। বিক্রি না হওয়ায় মেয়াদহীন হচ্ছে অনেক পণ্য। নষ্ট হচ্ছে খাবার।
গাজার খান ইউনিসের বাসিন্দা ফেদা হামেদ এখানকার হতভাগ্য পরিবারের একজন। এক মুঠো খাবারের সন্ধানে ঘুরতে হয় দ্বারে দ্বারে। তাই রমজানে এবার নেই কেনাকাটার তোড়জোড়।
ফেদা হামেদ জানান, খাবারের মতো তীব্র গ্যাস সংকট চলছে গাজায়। আর বাইরে তীব্র ঠান্ডা আবহাওয়ায় রান্নার জন্য আগুনও জ্বালাতে পারছেন তারা। ফলে সেহেরির জন্য কিছুই রান্না হয়নি তাদের। এছাড়া ইফতারে কি খাবেন তারও কোনো ব্যবস্থা নেই। পবিত্র এই মাসে নিদারুণ কষ্টেই পার করতে হচ্ছে তাদের।
তিনি আরও বলেন, সেহেরি আর ইফতারের জন্য আমি বাজারে খাবার কিনতে এসেছিলাম। কিন্তু আমি এখানে কেনার মতো কিছু খুঁজে পাইনি। যা পাওয়া যায় সবই ক্যানযুক্ত এবং সেগুলোর বেশির ভাগই নষ্ট হয়ে গেছে।
সাধারণত রমজানে গাজাবাসী সাধারণত ইফতারি করে থাকেন তাকা তাজা ফল-সবজি, হালাল মাংস, রুটি, মিষ্টি আর খেজুর দিয়ে। তবে, এই সবকিছুই এখন তাদের কাছে অতীত। অনাহারে অর্ধাহারে কাটছে দিন।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১২ মার্চ) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা ৩১ হাজার ১৮৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়াও আহত হয়েছে ৭২ হাজার ৮৮৯ জন। বাস্তুহারা হয়েছেন লাখ লাখ গাজাবাসী।
গত ০৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী সংগঠন হামাস। হামলায় ইসরায়েলের এক হাজার ২০০ জন নিহত হয়। এরপর গাজায় সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। ইতোমধ্যেই দেশটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি।


এই বিভাগের আরো খবর

https://www.kaabait.com